MD Kamrul Hassain লাইভ স্ট্রিম
Md kamrul hasan; কামরুল হাসান; Kamrul; Hasan; Md; A.S.M;
হাসির জগত্
বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০১৭
বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬
প্রতিদিন আয় করুন ১থেকে১০ ডলার আপনার Android ফোন থেকে ১০০% গ্যারান্টি

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা?
আশা করি সবাই ভালই আছেন।
ߘ
আপনারা হয়তো এর আগেও
অনেকে এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে টাকা আয় করার চেষ্টা করেছেন। কেও ব্যবহার করেছেন
mcent বা অন্য কোন অ্যাপ। কিন্তু মনের মত কি আয় করতে পেরেছেন? আমিও mcent ব্যবহার
করেছি। কিন্তু মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কেননা তাদের রেট খুব কম। আবার কখনও কখনও
অ্যাপ শো করেনা। তাই ব্যবহার করতে আর ইচ্ছে হচ্ছিল না। তখন ভাব্লাম আমার ভাগ্যে
মনে হয় টাকা আয় আর হবে। তারপর দেখলাম whaff নামের একটি অ্যাপ। প্রথমে ভাবলাম এটা
মনে হয় mcent এর মতই ফালতু একটা অ্যাপ। তারপর কিছুদিন ব্যবহার করলাম। ভাল আয়ও
করলাম। প্রায় ২২ ডলার। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি। এটি ব্যবহারে আপনি কখনও
হতাশ হবেন না।
নিচে এর ফিচার গুলো উল্লেখ করলামঃ
·
প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ
দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·
WHAFF দিয়ে Install করা
অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট
সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·
WHAFF দিয়ে install করা
অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020
·
প্লে স্টোরে WHAFF এর উপর
রিভিও কররে পাবেন $0.1
·
গুগল প্লাসে WHAFF কে
অ্যাড করলে পাবেন $0.1
·
এটি রেফারেলও সাপোট করে।
তাই রেফারেল করেও টাকা আয় করতে পারবেন।
·
এটি ব্যবহার করা খুবই
সহজ।
·
এছারাও যদি আপনি কাওকে
ইনভাইট করেন তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার আর সেও পাবে ০.৫০ ডলার।
টাকা Payout করার পদ্ধতি সমূহ:
·
Google Play Gift
Card(কমপক্ষে $12)
·
Amazon Gift Card(কমপক্ষে
$10.5)
·
Paypal (কমপক্ষে 10.5)
·
Itunes Gift Card(কমপক্ষে
$12)
·
Xbox Gift Card(কমপক্ষে
$10.5)
·
Facebook Gift
Card(কমপক্ষে $12)
·
PlayStation Gift
Card(কমপক্ষে $10.5)
·
Steam Gift Card(কমপক্ষে
$22)
তো চলুন শুরু করা যাক
২। এরপর অ্যাপটি ওপেন করে
নিচের ছবির মত login এ ক্লিক করুন
৩। তাহলে ফেসবুক লগিন
উইন্ডো বের হবে সেখানে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন (ভয় পাবেননা এটি
কোন ফিশিং অ্যাপ নয়)। নিচের মতো করে

৪। এরপর নিচের মতো দেখতে
পাবেন ওইখানে OK তে ক্লিক করুন

৫। ওকে তে ক্লিক
করলে আপনি সাইন ইন হয়ে যাবেন। এবং নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন
এইখানে এই ঘরে EN23596 লিখুন
এবং ওকে তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। এটি হচ্ছে আমার
ইনভাইটেশন কোড। এই কোড লিখে ওকে করলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার সাথে আমিও পাব ০.৫০
ডলার। কেননা আমি আপনাকে ইনভাইট করলাম তাই। যদি আপনি কোড টা না দেন তাহলে আপনি ০.৫০
ডলার পাবেন না।
Input This Invitation Code: EN23596 , And Get $0.50

Input This Invitation Code: EN23596
৭। কোডটি দেওয়ার পর
নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন।এইখানে আপনি নানা ধরনের আপ্পস পাবেন। এখন অগুলো শুধু
ডাউনলোড করুন। আর আয় করতে থাকুন।
·
প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ
দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·
WHAFF দিয়ে Install করা
অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট
সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·
WHAFF দিয়ে install করা
অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।

৮। প্রতিদিন WHAFF এ
attendance চেক করলে পাবেন $0.020। নিচের ছবির মতো Check your attendence and get
rewards এ ক্লিক করুন তাহলেই পেয়ে যাবেন $0.O2O

৯। নিচের ছবির মতো করে
whaff এর লোগো তে ক্লিক করুন। তাহলে একটি মেনু ওপেন হবে। সেখানে Invite Friend
নামে একটি অপশন আছে। ওইখানে ক্লিক করলেই আপনি আপনার Invitation code টি দেখতে পারবেন।
আর সেটি আপনার বন্ধুদের
সাথে শেয়ার করুন তাহলে আপনি পাবেন ৳৳ :D।

পেমেন্ট প্রুফ

তো আজ এই পর্যন্তই দেখা
হবে আগামি কোন টিউনে সে প্রজন্ত ভাল থাকুন আর কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে মেসেজ দিতে
পারেন Jamiul Karim>>
শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
বল্টুর আত্বহত্বা ।
বল্টু একদিন রেষ্টুরেন্টে
পেপসির বোতল সামনে
রেখে উদাস হয়ে বসে
আছে...
.
একটুপর তার বন্ধু তার কাছে
এল এবং পেপসি টা খেয়ে
ফেললো।
.
সে বল্টুকে বলল... "কিরে
সালা এত উদাস কেনো?"
.
বল্টু বলল... "আজ ভাগ্যটা খুব
খারাপ রে দোস্ত।
.
সকালে gf এর সাথে Break
up. এরপর রাস্তায় গাড়ি টা
নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অফিসে
যেতে দেরি হয় তাই বস্
চাকরি থেকে বের করে
দেয়।
.
এরপর মনের দু:খে আত্যহত্যা
করার জন্য পেপসিতে বিষ
মিশালাম,
.
.
.
.
তাও আবার তুই খেয়ে
ফেললি।
শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
বল্টু বাথরুমে থেকে কী কান্ডই না করলো।
«
বল্টু এফএম
রেডিও
স্টেশনে কল
করল:
"হ্যালো,
এটা কী এফএম
৯৭.৫ ??"
.
.
RJ : জি, বলুন।
. .
বল্টু : আমার
কথা কী পুরা শহরে শোনা যাচ্ছে ?
.
.
RJ : হ্যাঁ, সবাই
শুনতে পাচ্ছে বলুন। .
. বল্টু :
তারমানে আমার
বোন
যে রেডিও
শুনছে, সেও
শুনতে পাচ্ছে ? . .
RJ : (রাগতস্বরে)
আরে বেকুব হ্যাঁ।
.
.
. . .
.
বল্টু :
হ্যালো পিংকি,
যদি আমার
কথা শুনতে পাস
তাহলে জলদি পানির
মোটর চালু
কর।
আমি টয়লেটে বইসা আছি আর
পানি শেষ।
তোর নাম্বারটাও
বন্ধ।
এক ছাত্র তার পীর সাহেবকে বলল >
হুজুর , আপনিতো জ্বীন হাজির
করে তাদের দ্বারা অনেক কাজ করান , আমাকে একটু জ্বীন হাজির
করা শিখিয়ে দিন , আমার জ্বীন হাজির
করতে খুব ইচ্ছে করে । হুজুর তাকে
নিষেধ করা সত্তেও বার বার
পিড়াপিড়ির কারনে তাকে শিখিয়ে দিলো।
এবার সে সুযোগ বুঝে একদিন একটি
জ্বীন হাজির করল। এবার বিকট
প্রকাণ্ড জ্বীনটি তাকে বর্জকণ্ঠে
বলল "কাঁজ দে"। এখন সে তো বিপদে
পড়লো, কী কাজ দিবে? সে কোনো উপায়
না পেয়ে একটি বাঁশঝাড় দেখিয়ে বাঁশ
গুলি তুলতে বলল। মুহুর্তের মধ্য
জ্বীনটি বাঁশঝাড় ছাফ করে দিয়ে আবার
বলল "কাঁজ দে"। মহা বিপদ! ছাত্রটি
তাকে কিছু গাছ উপড়াতে বলে দৌড়
দিয়ে তার পীরের কাছে এসে পৌছে
বিপদের কথা বলল। তার পীর তাকে
বলল - এই জন্যই তোমাকে নিষেধ
করেছিলাম। তারপর তাকে একটি বুদ্ধি
শিখিয়ে দিলো। এবার জ্বীন এশে আবার
বলল "কাঁজ দে . তখন ছাত্রটি
জ্বীনকে বলল "কুত্তার লেজ সোজা
কর গিয়ে"। তখন জ্বীনটি ভাবলো
এতো খুব সহজ কাজ, জ্বীনটি একটি
কুকুর ধরে এনে লেজটি সোজা করার
চেষ্টায় লেগে গেলো। কিন্তু একী,
জ্বীনটি যতবারই লেজটি সোজা করে,
ছেড়ে দেয়, ছাড়ার সাথে সাথেই আবার
লেজ বাঁকা হয়ে যায়। সারা দিন চেষ্টার
পর সন্ধায় জ্বীনটি ছাত্রকে বলল
"হুজুর মাফ করবেন, লেজ সোজা
হচ্ছেনা"।
হাঁসির কৌতুক সমগ্র।
হাঁসির_কৌতুক
হাসতেই হবে!
যার হাঁসি আসবেনা, বুঝতে হবে তার
সমস্যা আছে।
বিশেষ দ্রষ্টাব্দঃ- যে বেশি হাসলে মরে
যাবার সম্ভাবনা আছে তার পড়া
নিষেধ।
১।তিন ব্যক্তি ট্রেন ভ্রমনে গেছে।
তারা ট্রেনে ওঠার পূর্বেই হটাত্ ট্রেন
ছেড়ে দিল। তারা দৌড়ে ট্রেনে ওঠার
চেষ্টা করায় ট্রেনের কয়েকজন যাত্রি
হাত দিয়ে দুজনকে তুলে নিল। একজন
ট্রেনে উঠতে ব্যর্থ হল। দুজনে এক
সিটে মন খারাপ করে বসে আছে।
একজন তাদের জিজ্ঞেস করল "ভাই
আপনারাতো ট্রেনে উঠতে পেরেছেন, মন
খারাপ কেন ?" তারা উত্তর দিল
:- ভাই যে ট্রেন ভ্রমনে যাবে সেইতো
নিচে, আমরা দুজনে তাকে ট্রেনে তুলে
দিতে এসেছি।
২। এক জাহাজে অনেক যাত্রি যাচ্ছিল।
হটাত্ জাহাজ থেকে একটি ছোট বাচ্চা
সমুদ্রে পড়ে গেলো । যাত্রিদের কেউ
সাহস করলোনা বাচ্চাটাকে উদ্ধার
করতে কারন সমুদ্রে ডুবে জাওয়া
ছাড়াও বিভিন্ন হিংস্র জন্তুর ভয়
ছিলো । হঠাত্ এক বৃদ্ধা মহিলা পানিতে
লাফ দিল এবং বাচ্চাটাকে পানি থেকে
তুলে আনল । সকলে অবাক হয়ে বৃদ্ধার
প্রসংসা করছে যে বৃদ্ধা নিজের জীবন
বাজী রেখে শিশুটার প্রাণ বাচালো ।
সেখানে একটি শোরগোল পড়েগেলো ।
অবশেষে বৃদ্ধা সবাইকে উদ্দেশ্য করে
বলল :-
সবই তো বুঝলাম, কিন্তু আমায় ঢাক্কা
দিলো কে ...?
৩। এক ক্রেতা এক ফল বিক্রেতার
কাছে গিয়ে আপেল দেখিয়ে বলল এক
কেজি আপেল দেন আর প্রতিটি আপেল
ভিন্ন ভিন্ন ঠোসে দেন। বিক্রেতা তাই
করল। এবার কমলা দেখিয়ে বলল এক
কেজি কমলা দেন আর প্রতিটি কমলা
ভিন্ন ঠোসে। বিক্রেতা এবারো তাই
করলো । এবার একইভাবে এক কেজি
পেয়ারা দিতে বলল । বিক্রেতা এবারো
তাই করল । এবার ক্রেতা আঙ্গুর
ফলের দিকে নজর দিতেই বিক্রেতা
সেগুলি সরিয়ে পেছন দিকে রেখে বলল
"ভাই আমি আঙ্গুর ফল বিক্রি করিনা
।"
৪। এবার পুলিশ এশে বল্টুকে বলল
"আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কারন
আপনার ঘরে নকল টাকা তৈরির যন্ত্র
পাওয়া গেছে।
বল্টু:- যন্ত্র পাওয়াগেলে কী হবে,
নকল টাকা তো পাওয়া যায়নি? পুলিশ:-
মামলার জন্য যন্ত্রই যথেস্ট। বল্টু:-
আপনাদের উপর ধর্ষনের মামলা করব।
পুলিশ:- কেন?
বল্টু:- কারন আপনাদের কাছে ধর্ষনের
যন্ত্র আছে।
৫। সার ক্লাসে ব্যকরন পড়াচ্ছে
ওদিকে বল্টুর দৃষ্টি বেঞ্চের নিচে,
একটি ইদুর গর্তে ওঠানামা করছে তার
প্রতি। সার কিছুক্ষন ব্যকরন বুঝিয়ে
বল্টুকে জিজ্ঞেস করল।
সার:- বল্টু মাথায় কিছু ঢুকলো। বল্টু:-
মাথা ঢুকেছে কিন্তু লেজ টুকু বের হয়ে
আছে।
৬। এক বুড়ো মুরব্বীর ঘরে চোর ঢুকে
দেখল যে মুরব্বী ঘুমিয়ে আছে। চোর এই
সুজোগে সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করে
খুজলো যে কী চুরি করা যায়? কিন্তু
চোরটি চুরি করার মত কোনো কিছু
পেলনা। বেচারা চোর মনের দুঃখে দরজা
খোলা রেখে চলে যেতে লাগলো। তখন
শুয়েথাকা মুরব্বী চোরকে উদ্দেশ্য করে
বলল ~ এই ব্যটা দরজাটা বন্ধ করে যা
। চোর বলল ~ আপনার দরজা খোলা
থাকলেও কোনো সমস্যা নেয় । ৭। এক
জাপানি এক বাংলাদেশী আর এক
আমেরিকান তিন বন্ধু একত্রে গল্প
করছে। তারা নিজ দেশের ডাক্তারের
অতিরিক্ত প্রশংসা করছে।
আমেরিকান:- আমাদের দেশে এক
ব্যত্তির এক্সিডেন্টে লাড়ি ভুড়ি সব
ছিড়ে গেছে। ডাক্তার এসে বানরের
চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে দিলে। এক
দিনের মধ্য সে ঠিক হয়ে গেছে। এখন সে
খুব ভালো আছে!
জাপানি:- আরে এটাতো কিছুই না।
আমাদের দেশে এক বেক্তির
এক্সিডেন্টে ধড় থেকে মাথা আলাদা হয়ে
গেছে। ডাক্তার এসে সেলাই করে দেয়ার
এক ঘন্টার মধ্য সে সম্পূর্নরূপে সুস্থ
হয়ে গেছে।
এখন বাংলাদেশী কী বলবে তা তো ভেবে
পাচ্ছেনা। সে বলল:- বাংলাদেশী:-
তোমাদের থেকে আমাদের প্রযুক্তি
উন্নত! এক ব্যক্তির এক্সিডেন্টে
পেটের চামড়া খসে গাড়ির চাকার সাথে
চলেগেছে। ডাক্তার মশাই পাঁঠি ছাগলের
পেটের চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে
দিয়েছে।এখন সে সম্পুর্ন সুস্থ এমন কি
দৈনিক সে এক লিটার দুধ ও দেয়....!
৮। এক ম্যডাম তার ক্লাসের এক
বাচ্চাকে প্রশ্ন করল:- ম্যডাম:-
বলোতো চার আনার দুইটা কলা হলে এক
হালি কলার দাম কত? ছেলে:- কিছুক্ষন
ভেবে বলল ম্যডাম, আটানার এক হালি
কলা
দিতে আপনাকে ঠ্যুপপে....!
বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
— ফারাবী আর নিশার আজ
ভার্সিটির প্রথম দিন . . . . . .
— প্রথম দিনের প্রথম ক্লাসেই তারা
পাশাপাশি (পুরাই অপরিচিতভাবে) বসে .
. . . . . .
— ফারাবী আর নিশা খাতা বের করে
প্রফেসরের লেকচার নোট করবে বলে . .
. . . . . কিন্তু এ কি . . . . .
— দুজনের-ই খাতা সেইম কালারের
আর সেইম লেভেলের . . . . . সেটা
ফারাবী খেয়াল করে ! একটু পরে নিশা
তার কলম বের করল . . . . . কিন্তু এ
কি . . . .
— সেইম কালারের কলম দেখে দুজন-
দুজনার দিকে তাকায় আর মুচকি হাসি
দেয় নিশা . . . . . .
অতঃপর তারপর থেকে বন্ধুত্ত শুরু হয়
তাদের . . . . . .
— ফারাবী নিশার খুব ঘনিস্ট বন্ধু
হয়ে উঠে . . নিশার সব কস্ট আর সব
ধরণের ফিলিংসের কথা শেয়ার করত
ফারাবীর সাথে . . . . . . . .
— বেশ ভালৈ চলছিল তাদের
বন্ধুত্তের রেলের চাকা . . .
— মাঝপথে থেমে থাকতে চাই ফারাবী .
. . . ফারাবীর মদ্ধে নিশার প্রতি
একধরনের ভাললাগা কাজ করে . . . . .
. .
অতঃপর বন্ধুত্ত থেকে ভাললাগার রুপ
নেয়্
— নিশার কয়েকটা ফিজিক্স ক্লাস
মিস হয়ে গেছে যেগুলার পড়াও সে মিস
করে ফেলে সে! তাই সে ভার্সিটির এক
কোণে খুব টেনশনে মুডে দাড়িয়ে
আছে,আর চিন্তা করে কিভাবে কাভার
দিবে নিজে এতগুলা চ্যাপটার তাও
আবার exam knocking at the
door . . . .
— ঠিক তখন-ই সেখানে হাজির হয়
তার সব থেকে বন্ধু ফারাবীটা . . . .
ফারাবী জিগেস করে . . . .
— ফারাবীঃ হাই . . . নিশা . . . সামথিং
ইয হ্যাপেন্ড ?
— না . . . . ফারাবী . . . .
— মন খারাপ . . . . . . ?
— না . . . .
— মুড অফ . . . . . .
— না . . . .
— আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তোমার
মন খারাপ . . . . কি হয়েছে নিশা . . . .?
— (অতঃপর ফারাবীর দিকে অসহায়
চোখে তাকায় নিশা আর সব খুলে বলে
নিশা . . . . . .
ভালোবাসার কথা
— এটা কোনো প্রবলেম্না . . .
ম্যা,হুনা . . . বন্ধু . . . .
— মানে . . . . do u help me ?
— ইয়েস . , . i support u
— উফফ . . . . ফারাবী বড় টেনশন
থেকে বাচালে তুমি . . . .
— 0k,0k . . তাই আর টাইম নস্ট না
করে কফি শপে বসে চ্যাপটার গুলো
ডিসকাস করি . . .
— হুম . . . . . চলো . . . .
সব প্রব্লেম সল্ভ করে দেয় ফারাবী
আর তখন নিশার মায়াবী চেহারার দিকে
তাকাতো . . . এ যেন স্বর্গের অপ্সরীর
পাশে বসে আছে . . . . .
— শেষ পর্যায়ে বলে উঠে ফারাবী . . .
.
— ফারাবীঃ আজ সন্ধ্যায় 6pm
T.S.C তে কনসার্ট আছে . . . . .আসবে
তুমি?
— ও . . . . i get it আসবতো . . . .
— কাল থেকেই কিন্তু exam
ম্যাডাম . . .
— ওয়াও . . . . . তাইতো . . . কাল
কিন্তু আপ্নারও exam তো যাওয়ার
কথা বলছেন যে . . . .
— না . . . . তবু-ও যাওয়া যায় কি না
দেখলাম আর কি . . . .
— না . . . বাবা তুমি যাও . . . . আমি
fail করতে পারবনা exam এ . . . . .
— পরদিন exam হয়ে কয়েকদিন পর
রেজাল্ট আউট হয় ; রেজাল্টে ফিজিক্সে
খারাপ করে ফারাবী . . . . . (ফেল মারে
ফারাবী) . . . . . . .
— অতঃপর ফারাবীকে সান্তনা দিতে
আসে কাছের বন্ধু নিশা . . . . .
— নিশাঃ i m sorry . . . .
— ফারাবীঃ why sorry ?
— না . . . . তুমি আমাকে বুঝাতে যেয়ে
ফিজিক্স নিজেরটা ভাল করে পড়নি . . .
.
— এটা কি বললা তুমি . . . . নিজেই
ক্রাইম নিচ্ছ কেন . . .
— আমার সব থেকে কাছের বন্ধুটা
খারাপ করলে কি আমার কি খারাপ
লাগবেনা . . . .?
— নিশা . . . . . তুমি এভাবে বললে
কিন্তু আমার-ও খারাপ লাগবে . . . . .
we are frnd ,there is no
sorry & thanks . . . . . . .
সেদিনের পর থেকে ফারাবীর ভাললাগা
অনুভুতিটা আস্তে আস্তে ভালবাসায়
রুপ নিতে থাকে . . . . . . .
— ফারাবীর ভালবাসার অনুভুতিটা
দিন-দিন বাড়তে থাকে . . . . কিন্তু
নিশাকে বলার সাহস পাচ্ছেনা সে . . . .
— কথাটা বলতে অনেকরকমের
প্র্যাকটিস করা শুরু করে ফারাবী . . . .
কখনো-বা আয়নার সামনে আর কখনো
নিজের সাথে নিজে . . . .
— এর-ই মাঝে চলে আসে নিশার জন্ম
দিন . . . . প্রিয় বন্ধুকে কি গিফট
করবে ভেবে খুজে পায়না ফারাবী . . . . .
.
— এর মাঝে ফারাবী সিদ্ধান্ত নেয়
তার বার্থ-ড্যা তে-ই মনের কথাটা
জানাবে সে . . . . . .
— শেষ-মেষ,গিফট কাগজে মুড়ে গিফট
নিয়ে হাজির হয় নিশার বাসার সামনে . .
. . .
— বাসায় ঢুকতেই ফারাবী দেখতে পায়
নিশা কেক কাটা শুরু করে দেয় তার
বন্ধুদের নিয়ে . . . . যেটা দেখে ফারাবী
শকড খায় কারণ ফারাবী-বিহীন কেক
কাটার কথা ছিলনা . . . . . . .
— কেক খেতে খেতে নিশা ফারাবীকে
দরজায় দাড়ানো অবস্থায় দেখতে পায় .
. . . আর বলে . . .
— নিশাঃ আপনার এতক্ষণে আসার
সময় হলো!
— ফারাবীঃ হ্যাপী বার্থ-ড্যা টু ইয়ু .
. . নিশা . .
— হুম . . . . বুঝলাম . . . এখন চলেন
পার্টিতে . . .
— ইটস ফর ইয়ু . . . (গিফটটা হাতে
দিয়ে) . . . .
— ওয়াও . . . খুলে দেখতে পারি
এখন?
– O,its sure . . . .
— না . . , দেরী হয়ে যাচ্ছে . . . পরে
দেখব . . . .
— “সময়কে ধরে রাখা যায়না,জাস্ট
মনে রাখা যায় . . .” তাই গড়ি গিফট
করলাম . . . .
— হৈছে . . . . এখন চলেন,সবাই wait
করতেসে . . . . . এই বলে নিশা চলল . .
.
— নিশাকে পিছন ফিরায় ফারাবী . . . .
আর বলে . . . .
— ফারাবীঃ তোমাকে একটা কথা বলতে
চাই . . . . .
— হ্যা . . . . . বল কি কথা . . . .
— ফারাবীর মদ্ধে খুব সংকোচ আর
জড়তা কাজ করছিল তাই বলতে গিয়ে
বলে ফেলল . . . .
— ফারাবীঃ many many
happy returns of the day . .
.
— নিশাঃ many many thanks
farabI . . NoW,Lets go . . . .
— অবশেষে ফারাবী বলতে পারেনা . . .
. . ফারাবী এরপরেও বিভিন্নভাবে
চেস্টা করে কিন্তু কোনো সময় দেখা
যায় তখন নিশার মন খারাপ অথবা
নিশার ব্যাস্ততা অথবা ফারাবীর
জড়তা আর সংকোচ কাজ করে . . . . . .
— এভাবে চলতে থাকে তাদের সম্পর্ক
কিন্তু আজ-ও বলতে পারেনি মনের
ব্যাক্তটা . . . .
— অবশেষে চলে আসে ভার্সিটির শেষ
দিন . . . . মানে,আজকের পর তাদের
আর দেখা হবেনা . . . . . .
— ফারাবীর খুব কস্ট হচ্ছিল . . . .
then ফারাবী নিশাকে নিয়ে আজ
একটা জায়গায় বেড়াতে যেতে চায় . . .
— ফারাবীঃ আজতো আমাদের শেষ
meet চল কোথাও ঘুরে আসি . . . . .
আর কিছু কথা ছিল তোমার সাথে . . . .
. .
— নিশাঃ হ্যা . . . . আমারো কিছু কথা
আছে তোমার সাথে,ফারাবী . . . . .
— অতঃপর খোলা সবুজ মাঠের পাশে
এক জলা
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
