বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

প্রতিদিন আয় করুন ১থেকে১০ ডলার আপনার Android ফোন থেকে ১০০% গ্যারান্টি

লিখেছেন : Jamiul Karim বিভাগ : অনলাইন ইনকাম » প্রকাশিত : আগস্ট ২০, ২০১৬ » ২১ টি মন্তব্য 
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/dfsda.png?resize=236%2C236
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা?

আশা করি সবাই ভালই আছেন। ߘ
আপনারা হয়তো এর আগেও অনেকে এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে টাকা আয় করার চেষ্টা করেছেন। কেও ব্যবহার করেছেন mcent বা অন্য কোন অ্যাপ। কিন্তু মনের মত কি আয় করতে পেরেছেন? আমিও mcent ব্যবহার করেছি। কিন্তু মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কেননা তাদের রেট খুব কম। আবার কখনও কখনও অ্যাপ শো করেনা। তাই ব্যবহার করতে আর ইচ্ছে হচ্ছিল না। তখন ভাব্লাম আমার ভাগ্যে মনে হয় টাকা আয় আর হবে। তারপর দেখলাম whaff নামের একটি অ্যাপ। প্রথমে ভাবলাম এটা মনে হয় mcent এর মতই ফালতু একটা অ্যাপ। তারপর কিছুদিন ব্যবহার করলাম। ভাল আয়ও করলাম। প্রায় ২২ ডলার। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি। এটি ব্যবহারে আপনি কখনও হতাশ হবেন না।
নিচে এর ফিচার গুলো উল্লেখ করলামঃ
·         প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·         WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·         WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020
·         প্লে স্টোরে WHAFF এর উপর রিভিও কররে পাবেন $0.1
·         গুগল প্লাসে WHAFF কে অ্যাড করলে পাবেন $0.1
·         এটি রেফারেলও সাপোট করে। তাই রেফারেল করেও টাকা আয় করতে পারবেন।
·         এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ।
·         এছারাও যদি আপনি কাওকে ইনভাইট করেন তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার আর সেও পাবে ০.৫০ ডলার।
টাকা Payout করার পদ্ধতি সমূহ:
·         Google Play Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         Amazon Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Paypal (কমপক্ষে 10.5)
·         Itunes Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         Xbox Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Facebook Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         PlayStation Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Steam Gift Card(কমপক্ষে $22)
তো চলুন শুরু করা যাক
১। প্রথমে whaff অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন। অথবা প্লে-স্টোর থেকে WHAFF লিখে নামিয়ে নিন।
২। এরপর অ্যাপটি ওপেন করে নিচের ছবির মত login এ ক্লিক করুন
abcdfdgdgf
৩। তাহলে ফেসবুক লগিন উইন্ডো বের হবে সেখানে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন (ভয় পাবেননা এটি কোন ফিশিং অ্যাপ নয়)। নিচের মতো করে
http://i0.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/6.jpg?resize=351%2C351
৪। এরপর নিচের মতো দেখতে পাবেন ওইখানে OK তে ক্লিক করুন
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/3.png?resize=284%2C473
৫। ওকে তে ক্লিক করলে  আপনি সাইন ইন হয়ে যাবেন। এবং নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন
এইখানে এই ঘরে EN23596 লিখুন এবং ওকে তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। এটি হচ্ছে আমার ইনভাইটেশন কোড। এই কোড লিখে ওকে করলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার সাথে আমিও পাব ০.৫০ ডলার। কেননা আমি আপনাকে ইনভাইট করলাম তাই। যদি আপনি কোড টা না দেন তাহলে আপনি ০.৫০ ডলার পাবেন না।
Input This Invitation Code: EN23596 And  Get $0.50
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/4.png?resize=311%2C553
 Input This Invitation Code: EN23596
৭। কোডটি দেওয়ার পর নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন।এইখানে আপনি নানা ধরনের আপ্পস পাবেন। এখন অগুলো শুধু ডাউনলোড করুন। আর আয় করতে থাকুন।
·         প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·         WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·         WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/90.png?resize=328%2C584
৮। প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020। নিচের ছবির মতো Check your attendence and get rewards এ ক্লিক করুন তাহলেই পেয়ে যাবেন $0.O2O
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/98.jpg?resize=362%2C643
৯। নিচের ছবির মতো করে whaff এর লোগো তে ক্লিক করুন। তাহলে একটি মেনু ওপেন হবে। সেখানে Invite Friend নামে একটি অপশন আছে। ওইখানে ক্লিক করলেই আপনি আপনার Invitation code টি দেখতে পারবেন।
আর সেটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন তাহলে আপনি পাবেন ৳৳ :D।
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/1223.png?resize=351%2C624
পেমেন্ট প্রুফ
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/99.png?resize=372%2C662
তো আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামি কোন টিউনে সে প্রজন্ত ভাল থাকুন আর কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে মেসেজ দিতে পারেন Jamiul Karim>>


শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বল্টুর আত্বহত্বা ।

বল্টু একদিন রেষ্টুরেন্টে পেপসির বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসে আছে... . একটুপর তার বন্ধু তার কাছে এল এবং পেপসি টা খেয়ে ফেললো। . সে বল্টুকে বলল... "কিরে সালা এত উদাস কেনো?" . বল্টু বলল... "আজ ভাগ্যটা খুব খারাপ রে দোস্ত। . সকালে gf এর সাথে Break up. এরপর রাস্তায় গাড়ি টা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অফিসে যেতে দেরি হয় তাই বস্ চাকরি থেকে বের করে দেয়। . এরপর মনের দু:খে আত্যহত্যা করার জন্য পেপসিতে বিষ মিশালাম, . . . . তাও আবার তুই খেয়ে ফেললি।

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বল্টু বাথরুমে থেকে কী কান্ডই না করলো।

« বল্টু এফএম রেডিও স্টেশনে কল করল: "হ্যালো, এটা কী এফএম ৯৭.৫ ??" . . RJ : জি, বলুন। . . বল্টু : আমার কথা কী পুরা শহরে শোনা যাচ্ছে ? . . RJ : হ্যাঁ, সবাই শুনতে পাচ্ছে বলুন। . . বল্টু : তারমানে আমার বোন যে রেডিও শুনছে, সেও শুনতে পাচ্ছে ? . . RJ : (রাগতস্বরে) আরে বেকুব হ্যাঁ। . . . . . . বল্টু : হ্যালো পিংকি, যদি আমার কথা শুনতে পাস তাহলে জলদি পানির মোটর চালু কর। আমি টয়লেটে বইসা আছি আর পানি শেষ। তোর নাম্বারটাও বন্ধ।
এক ছাত্র তার পীর সাহেবকে বলল > হুজুর , আপনিতো জ্বীন হাজির করে তাদের দ্বারা অনেক কাজ করান , আমাকে একটু জ্বীন হাজির করা শিখিয়ে দিন , আমার জ্বীন হাজির করতে খুব ইচ্ছে করে । হুজুর তাকে নিষেধ করা সত্তেও বার বার পিড়াপিড়ির কারনে তাকে শিখিয়ে দিলো। এবার সে সুযোগ বুঝে একদিন একটি জ্বীন হাজির করল। এবার বিকট প্রকাণ্ড জ্বীনটি তাকে বর্জকণ্ঠে বলল "কাঁজ দে"। এখন সে তো বিপদে পড়লো, কী কাজ দিবে? সে কোনো উপায় না পেয়ে একটি বাঁশঝাড় দেখিয়ে বাঁশ গুলি তুলতে বলল। মুহুর্তের মধ্য জ্বীনটি বাঁশঝাড় ছাফ করে দিয়ে আবার বলল "কাঁজ দে"। মহা বিপদ! ছাত্রটি তাকে কিছু গাছ উপড়াতে বলে দৌড় দিয়ে তার পীরের কাছে এসে পৌছে বিপদের কথা বলল। তার পীর তাকে বলল - এই জন্যই তোমাকে নিষেধ করেছিলাম। তারপর তাকে একটি বুদ্ধি শিখিয়ে দিলো। এবার জ্বীন এশে আবার বলল "কাঁজ দে . তখন ছাত্রটি জ্বীনকে বলল "কুত্তার লেজ সোজা কর গিয়ে"। তখন জ্বীনটি ভাবলো এতো খুব সহজ কাজ, জ্বীনটি একটি কুকুর ধরে এনে লেজটি সোজা করার চেষ্টায় লেগে গেলো। কিন্তু একী, জ্বীনটি যতবারই লেজটি সোজা করে, ছেড়ে দেয়, ছাড়ার সাথে সাথেই আবার লেজ বাঁকা হয়ে যায়। সারা দিন চেষ্টার পর সন্ধায় জ্বীনটি ছাত্রকে বলল "হুজুর মাফ করবেন, লেজ সোজা হচ্ছেনা"।

হাঁসির কৌতুক সমগ্র।

হাঁসির_কৌতুক হাসতেই হবে! যার হাঁসি আসবেনা, বুঝতে হবে তার সমস্যা আছে। বিশেষ দ্রষ্টাব্দঃ- যে বেশি হাসলে মরে যাবার সম্ভাবনা আছে তার পড়া নিষেধ। ১।তিন ব্যক্তি ট্রেন ভ্রমনে গেছে। তারা ট্রেনে ওঠার পূর্বেই হটাত্ ট্রেন ছেড়ে দিল। তারা দৌড়ে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করায় ট্রেনের কয়েকজন যাত্রি হাত দিয়ে দুজনকে তুলে নিল। একজন ট্রেনে উঠতে ব্যর্থ হল। দুজনে এক সিটে মন খারাপ করে বসে আছে। একজন তাদের জিজ্ঞেস করল "ভাই আপনারাতো ট্রেনে উঠতে পেরেছেন, মন খারাপ কেন ?" তারা উত্তর দিল :- ভাই যে ট্রেন ভ্রমনে যাবে সেইতো নিচে, আমরা দুজনে তাকে ট্রেনে তুলে দিতে এসেছি। ২। এক জাহাজে অনেক যাত্রি যাচ্ছিল। হটাত্ জাহাজ থেকে একটি ছোট বাচ্চা সমুদ্রে পড়ে গেলো । যাত্রিদের কেউ সাহস করলোনা বাচ্চাটাকে উদ্ধার করতে কারন সমুদ্রে ডুবে জাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন হিংস্র জন্তুর ভয় ছিলো । হঠাত্ এক বৃদ্ধা মহিলা পানিতে লাফ দিল এবং বাচ্চাটাকে পানি থেকে তুলে আনল । সকলে অবাক হয়ে বৃদ্ধার প্রসংসা করছে যে বৃদ্ধা নিজের জীবন বাজী রেখে শিশুটার প্রাণ বাচালো । সেখানে একটি শোরগোল পড়েগেলো । অবশেষে বৃদ্ধা সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল :- সবই তো বুঝলাম, কিন্তু আমায় ঢাক্কা দিলো কে ...? ৩। এক ক্রেতা এক ফল বিক্রেতার কাছে গিয়ে আপেল দেখিয়ে বলল এক কেজি আপেল দেন আর প্রতিটি আপেল ভিন্ন ভিন্ন ঠোসে দেন। বিক্রেতা তাই করল। এবার কমলা দেখিয়ে বলল এক কেজি কমলা দেন আর প্রতিটি কমলা ভিন্ন ঠোসে। বিক্রেতা এবারো তাই করলো । এবার একইভাবে এক কেজি পেয়ারা দিতে বলল । বিক্রেতা এবারো তাই করল । এবার ক্রেতা আঙ্গুর ফলের দিকে নজর দিতেই বিক্রেতা সেগুলি সরিয়ে পেছন দিকে রেখে বলল "ভাই আমি আঙ্গুর ফল বিক্রি করিনা ।" ৪। এবার পুলিশ এশে বল্টুকে বলল "আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কারন আপনার ঘরে নকল টাকা তৈরির যন্ত্র পাওয়া গেছে। বল্টু:- যন্ত্র পাওয়াগেলে কী হবে, নকল টাকা তো পাওয়া যায়নি? পুলিশ:- মামলার জন্য যন্ত্রই যথেস্ট। বল্টু:- আপনাদের উপর ধর্ষনের মামলা করব। পুলিশ:- কেন? বল্টু:- কারন আপনাদের কাছে ধর্ষনের যন্ত্র আছে। ৫। সার ক্লাসে ব্যকরন পড়াচ্ছে ওদিকে বল্টুর দৃষ্টি বেঞ্চের নিচে, একটি ইদুর গর্তে ওঠানামা করছে তার প্রতি। সার কিছুক্ষন ব্যকরন বুঝিয়ে বল্টুকে জিজ্ঞেস করল। সার:- বল্টু মাথায় কিছু ঢুকলো। বল্টু:- মাথা ঢুকেছে কিন্তু লেজ টুকু বের হয়ে আছে। ৬। এক বুড়ো মুরব্বীর ঘরে চোর ঢুকে দেখল যে মুরব্বী ঘুমিয়ে আছে। চোর এই সুজোগে সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করে খুজলো যে কী চুরি করা যায়? কিন্তু চোরটি চুরি করার মত কোনো কিছু পেলনা। বেচারা চোর মনের দুঃখে দরজা খোলা রেখে চলে যেতে লাগলো। তখন শুয়েথাকা মুরব্বী চোরকে উদ্দেশ্য করে বলল ~ এই ব্যটা দরজাটা বন্ধ করে যা । চোর বলল ~ আপনার দরজা খোলা থাকলেও কোনো সমস্যা নেয় । ৭। এক জাপানি এক বাংলাদেশী আর এক আমেরিকান তিন বন্ধু একত্রে গল্প করছে। তারা নিজ দেশের ডাক্তারের অতিরিক্ত প্রশংসা করছে। আমেরিকান:- আমাদের দেশে এক ব্যত্তির এক্সিডেন্টে লাড়ি ভুড়ি সব ছিড়ে গেছে। ডাক্তার এসে বানরের চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে দিলে। এক দিনের মধ্য সে ঠিক হয়ে গেছে। এখন সে খুব ভালো আছে! জাপানি:- আরে এটাতো কিছুই না। আমাদের দেশে এক বেক্তির এক্সিডেন্টে ধড় থেকে মাথা আলাদা হয়ে গেছে। ডাক্তার এসে সেলাই করে দেয়ার এক ঘন্টার মধ্য সে সম্পূর্নরূপে সুস্থ হয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশী কী বলবে তা তো ভেবে পাচ্ছেনা। সে বলল:- বাংলাদেশী:- তোমাদের থেকে আমাদের প্রযুক্তি উন্নত! এক ব্যক্তির এক্সিডেন্টে পেটের চামড়া খসে গাড়ির চাকার সাথে চলেগেছে। ডাক্তার মশাই পাঁঠি ছাগলের পেটের চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে দিয়েছে।এখন সে সম্পুর্ন সুস্থ এমন কি দৈনিক সে এক লিটার দুধ ও দেয়....! ৮। এক ম্যডাম তার ক্লাসের এক বাচ্চাকে প্রশ্ন করল:- ম্যডাম:- বলোতো চার আনার দুইটা কলা হলে এক হালি কলার দাম কত? ছেলে:- কিছুক্ষন ভেবে বলল ম্যডাম, আটানার এক হালি কলা দিতে আপনাকে ঠ্যুপপে....!

বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

— ফারাবী আর নিশার আজ ভার্সিটির প্রথম দিন . . . . . . — প্রথম দিনের প্রথম ক্লাসেই তারা পাশাপাশি (পুরাই অপরিচিতভাবে) বসে . . . . . . . — ফারাবী আর নিশা খাতা বের করে প্রফেসরের লেকচার নোট করবে বলে . . . . . . . কিন্তু এ কি . . . . . — দুজনের-ই খাতা সেইম কালারের আর সেইম লেভেলের . . . . . সেটা ফারাবী খেয়াল করে ! একটু পরে নিশা তার কলম বের করল . . . . . কিন্তু এ কি . . . . — সেইম কালারের কলম দেখে দুজন- দুজনার দিকে তাকায় আর মুচকি হাসি দেয় নিশা . . . . . . অতঃপর তারপর থেকে বন্ধুত্ত শুরু হয় তাদের . . . . . . — ফারাবী নিশার খুব ঘনিস্ট বন্ধু হয়ে উঠে . . নিশার সব কস্ট আর সব ধরণের ফিলিংসের কথা শেয়ার করত ফারাবীর সাথে . . . . . . . . — বেশ ভালৈ চলছিল তাদের বন্ধুত্তের রেলের চাকা . . . — মাঝপথে থেমে থাকতে চাই ফারাবী . . . . ফারাবীর মদ্ধে নিশার প্রতি একধরনের ভাললাগা কাজ করে . . . . . . . অতঃপর বন্ধুত্ত থেকে ভাললাগার রুপ নেয়্ — নিশার কয়েকটা ফিজিক্স ক্লাস মিস হয়ে গেছে যেগুলার পড়াও সে মিস করে ফেলে সে! তাই সে ভার্সিটির এক কোণে খুব টেনশনে মুডে দাড়িয়ে আছে,আর চিন্তা করে কিভাবে কাভার দিবে নিজে এতগুলা চ্যাপটার তাও আবার exam knocking at the door . . . . — ঠিক তখন-ই সেখানে হাজির হয় তার সব থেকে বন্ধু ফারাবীটা . . . . ফারাবী জিগেস করে . . . . — ফারাবীঃ হাই . . . নিশা . . . সামথিং ইয হ্যাপেন্ড ? — না . . . . ফারাবী . . . . — মন খারাপ . . . . . . ? — না . . . . — মুড অফ . . . . . . — না . . . . — আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তোমার মন খারাপ . . . . কি হয়েছে নিশা . . . .? — (অতঃপর ফারাবীর দিকে অসহায় চোখে তাকায় নিশা আর সব খুলে বলে নিশা . . . . . . ভালোবাসার কথা — এটা কোনো প্রবলেম্না . . . ম্যা,হুনা . . . বন্ধু . . . . — মানে . . . . do u help me ? — ইয়েস . , . i support u — উফফ . . . . ফারাবী বড় টেনশন থেকে বাচালে তুমি . . . . — 0k,0k . . তাই আর টাইম নস্ট না করে কফি শপে বসে চ্যাপটার গুলো ডিসকাস করি . . . — হুম . . . . . চলো . . . . সব প্রব্লেম সল্ভ করে দেয় ফারাবী আর তখন নিশার মায়াবী চেহারার দিকে তাকাতো . . . এ যেন স্বর্গের অপ্সরীর পাশে বসে আছে . . . . . — শেষ পর্যায়ে বলে উঠে ফারাবী . . . . — ফারাবীঃ আজ সন্ধ্যায় 6pm T.S.C তে কনসার্ট আছে . . . . .আসবে তুমি? — ও . . . . i get it আসবতো . . . . — কাল থেকেই কিন্তু exam ম্যাডাম . . . — ওয়াও . . . . . তাইতো . . . কাল কিন্তু আপ্নারও exam তো যাওয়ার কথা বলছেন যে . . . . — না . . . . তবু-ও যাওয়া যায় কি না দেখলাম আর কি . . . . — না . . . বাবা তুমি যাও . . . . আমি fail করতে পারবনা exam এ . . . . . — পরদিন exam হয়ে কয়েকদিন পর রেজাল্ট আউট হয় ; রেজাল্টে ফিজিক্সে খারাপ করে ফারাবী . . . . . (ফেল মারে ফারাবী) . . . . . . . — অতঃপর ফারাবীকে সান্তনা দিতে আসে কাছের বন্ধু নিশা . . . . . — নিশাঃ i m sorry . . . . — ফারাবীঃ why sorry ? — না . . . . তুমি আমাকে বুঝাতে যেয়ে ফিজিক্স নিজেরটা ভাল করে পড়নি . . . . — এটা কি বললা তুমি . . . . নিজেই ক্রাইম নিচ্ছ কেন . . . — আমার সব থেকে কাছের বন্ধুটা খারাপ করলে কি আমার কি খারাপ লাগবেনা . . . .? — নিশা . . . . . তুমি এভাবে বললে কিন্তু আমার-ও খারাপ লাগবে . . . . . we are frnd ,there is no sorry & thanks . . . . . . . সেদিনের পর থেকে ফারাবীর ভাললাগা অনুভুতিটা আস্তে আস্তে ভালবাসায় রুপ নিতে থাকে . . . . . . . — ফারাবীর ভালবাসার অনুভুতিটা দিন-দিন বাড়তে থাকে . . . . কিন্তু নিশাকে বলার সাহস পাচ্ছেনা সে . . . . — কথাটা বলতে অনেকরকমের প্র্যাকটিস করা শুরু করে ফারাবী . . . . কখনো-বা আয়নার সামনে আর কখনো নিজের সাথে নিজে . . . . — এর-ই মাঝে চলে আসে নিশার জন্ম দিন . . . . প্রিয় বন্ধুকে কি গিফট করবে ভেবে খুজে পায়না ফারাবী . . . . . . — এর মাঝে ফারাবী সিদ্ধান্ত নেয় তার বার্থ-ড্যা তে-ই মনের কথাটা জানাবে সে . . . . . . — শেষ-মেষ,গিফট কাগজে মুড়ে গিফট নিয়ে হাজির হয় নিশার বাসার সামনে . . . . . — বাসায় ঢুকতেই ফারাবী দেখতে পায় নিশা কেক কাটা শুরু করে দেয় তার বন্ধুদের নিয়ে . . . . যেটা দেখে ফারাবী শকড খায় কারণ ফারাবী-বিহীন কেক কাটার কথা ছিলনা . . . . . . . — কেক খেতে খেতে নিশা ফারাবীকে দরজায় দাড়ানো অবস্থায় দেখতে পায় . . . . আর বলে . . . — নিশাঃ আপনার এতক্ষণে আসার সময় হলো! — ফারাবীঃ হ্যাপী বার্থ-ড্যা টু ইয়ু . . . নিশা . . — হুম . . . . বুঝলাম . . . এখন চলেন পার্টিতে . . . — ইটস ফর ইয়ু . . . (গিফটটা হাতে দিয়ে) . . . . — ওয়াও . . . খুলে দেখতে পারি এখন? – O,its sure . . . . — না . . , দেরী হয়ে যাচ্ছে . . . পরে দেখব . . . . — “সময়কে ধরে রাখা যায়না,জাস্ট মনে রাখা যায় . . .” তাই গড়ি গিফট করলাম . . . . — হৈছে . . . . এখন চলেন,সবাই wait করতেসে . . . . . এই বলে নিশা চলল . . . — নিশাকে পিছন ফিরায় ফারাবী . . . . আর বলে . . . . — ফারাবীঃ তোমাকে একটা কথা বলতে চাই . . . . . — হ্যা . . . . . বল কি কথা . . . . — ফারাবীর মদ্ধে খুব সংকোচ আর জড়তা কাজ করছিল তাই বলতে গিয়ে বলে ফেলল . . . . — ফারাবীঃ many many happy returns of the day . . . — নিশাঃ many many thanks farabI . . NoW,Lets go . . . . — অবশেষে ফারাবী বলতে পারেনা . . . . . ফারাবী এরপরেও বিভিন্নভাবে চেস্টা করে কিন্তু কোনো সময় দেখা যায় তখন নিশার মন খারাপ অথবা নিশার ব্যাস্ততা অথবা ফারাবীর জড়তা আর সংকোচ কাজ করে . . . . . . — এভাবে চলতে থাকে তাদের সম্পর্ক কিন্তু আজ-ও বলতে পারেনি মনের ব্যাক্তটা . . . . — অবশেষে চলে আসে ভার্সিটির শেষ দিন . . . . মানে,আজকের পর তাদের আর দেখা হবেনা . . . . . . — ফারাবীর খুব কস্ট হচ্ছিল . . . . then ফারাবী নিশাকে নিয়ে আজ একটা জায়গায় বেড়াতে যেতে চায় . . . — ফারাবীঃ আজতো আমাদের শেষ meet চল কোথাও ঘুরে আসি . . . . . আর কিছু কথা ছিল তোমার সাথে . . . . . . — নিশাঃ হ্যা . . . . আমারো কিছু কথা আছে তোমার সাথে,ফারাবী . . . . . — অতঃপর খোলা সবুজ মাঠের পাশে এক জলা

পান , শুপারি ও চুন ।

এক কৃষক সুপারি গাছের গোড়ায় পান গাছ লাগিয়েছে। পান গাছটা সুপারি গাছ বেয়ে উঠছে। . . . একদিন এক পাখি এসে পান পাতায় পায়খানা করে দিল! . . . তো, অন্য গ্রামের এক লোক সেখানে গিয়ে এসব দেখে তো অবাক! একই গাছে পান- সুপারি! . . . এদিকে , পান পাতায় পাখির পায়খানা শূকিয়ে সাদা . . . লোকটি পাখির পায়খানা ভরা পাতা আর গাছের সুপারি পেড়ে মুখে ভরছে বলছে …………… . . কিবা দেশে আইলাম রে ভাই! কিবা দেশের গূণ! যেই গাছে পান-সুপারি, সেই গাছেই চুন!’ হাঃ হাঃ

ভালো ছেলেদের প্রেম হয়না কেন?

ভালো ছেলের প্রেমে পরতে চায় না মেয়েরা যে কারনে? ছেলেটি বেশ ভালো, পড়াশোনা, স্বভাব– সবেতেই। কিন্তু কোথায় যেন একটা ‘খামতি’ রয়েছে, তাই তো কোনো মেয়েই তাকে প্রেমিক হিসেবে মেনে নিতে চায় না বা কোনো প্রেমিকাই তার সঙ্গে সম্পর্কে বেশিদিন স্থির থাকে না। সবার চোখেই ওই সিধাসাধা ছেলেটি মায়ের আঁচলে থাকা লক্ষ্মী ছেলে হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কেন হয় এমন? ১. গায়ে পড়া স্বভাব নেই- গায়ে পড়ে বন্ধুত্ব করা বা গায়ে পড়ে থাকা এদের স্বভাব নয়। শুধু মেয়ে কেন, কারও গায়ে পড়ে আলাপ করাটা এদের না- পসন্দ। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও নিজের মধ্যেই গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাদের পরিচিত মানুষের পরিধি খুবই ছোট আর সেই পরিধিতে মেয়েদের সংখ্যা আরও কম। ২. এরা কাউকে প্রতারিত করতে পারেন না- কোনো মেয়েকে নিজের প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলাকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য, যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেন না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়। ৩. ভালো ছেলেরা ‘বোরিং’ হয়- ভালো ছেলেরা কোন মুহূর্তে কী কাজ করবে, তা সহজেই ধারণা করা যায়। কিন্তু খারাপ ছেলেদের ক্ষেত্রে এ কথা খাটে না। এই বিগড়ে যাওয়া ছেলেদের প্রেমিকা হওয়া মেয়েদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আবার বিগড়ে যাওয়া ছেলেদের শুধরাতে মেয়েরা ভালোবাসে। ওই ছেলেটিকে নিজের মতো করে তৈরি করাই মেয়েদের মিশন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ভালো ছেলের মধ্যে ঠিক ঠাক করার কিছুই নেই। তাই তাদের না- পছন্দ করেন মেয়েরা। ৪. মায়ের কথা মেনে চলে- ভালো ছেলে মায়ের কথা মতো কাজ করে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবে না বা সব সিদ্ধান্তে মাকে শামিল করে তারা। তার প্রেমিক তার পরিবর্তে মায়ের কথা মতো কাজ করছে! এই সত্যটি তারা ঠিক মেনে নিতে পারেন না। তাই এই আপাত ভালো ছেলেটিকে তারা mumma’s boy বলে হেয় করতেও ছাড়েন না। এই mumma’s boy- রা তাদের অপছন্দের তালিকায় থাকেন। ৫. ক্যারিয়ার সচেতন- জীবনে অনেক বড় কিছু করতে হবে। এই ভেবে পড়াশোনা এবং কেরিয়ারেই বেশি মনোযোগী হন গুড বয়েরা। কিন্তু মেয়েরা চায় তার প্রেমিক সব ছেড়ে তাদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াক। ভালো ছেলেরা তা করে না বলে মেয়েরাও তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। ৬. মিথ্যা বলতে পারে না- প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে গিয়ে অল্প-স্বল্প নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা বা নিজেকে হিরো সাজানো এগুলি কোনো সিধাসাধা ছেলের পক্ষে সম্ভব নয়। আর এ সব করতে না-পারলে কোনো মেয়েই আবার তাদের পাত্তা দেবে না। ৭. প্রথমেই সিরিয়াস হয়ে যায়- ‘আলাপের পর প্রথম ডেটিংয়ে এসেই আমার ওপর অধিকার ফলানো!’ নিজের সপ্নের মেয়ের খোঁজ পাওয়ার পরই ভালো ছেলেরা তাদের নিয়ে খুব সিরিয়াস এবং পজেসিভ হয়ে পড়ে। তার যত্ন নিতে গিয়ে অনেক সময় ছেলেরা অধিকার ফলাতে শুরু করে। ফলে সম্পর্ক শুরু আগেই সেখানে ফুলস্টপ লাগিয়ে দেয় মেয়েটি। ৮. প্রচণ্ড আবেগী হয়-! বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। আবার কথায় কথায় আবেগের বন্যায় ভেসে যায়-এমন ছেলেদের থেকে মেয়েরা তফাত্ বজায় রাখেন। ১০. সম্পর্কভীতি কাজ করে- কোনো মেয়ে ওই ভালো ছেলেটির হৃদয়ের কড়া নেড়েছে। তার পরই ছেলেটির মনে ওঠে প্রশ্নের ঝড়। বাড়িতে কেউ জানতে পারলে? কী ভাবে প্রপোজ করব? সে আমার প্রস্তাব স্বীকার করল, কিন্তু বাড়ির চাপে দুই হাত এক করতে পারলাম না, তখন কী হবে, কী ভাবে থাকব তাকে ছেড়ে? এ ধরনের বহু প্রশ্ন তাদের মনে যখন ঝড় তোলা শুরু করে, তখন ছেলেটি ঠিক করে, ‘থাক বাবা, প্রেম করে বা সম্পর্কে জড়িয়ে লাভ নেই।’ ১১. ভালো ছেলেরা শেষ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারে না তার প্রেমিকাকে কী বলবে বা কী বলবে না। কিন্তু বিগড়ে যাওয়া ছেলেরা ভালোভাবেই জানে, কী বললে মেয়েটিকে খুশি করা যাবে। আবার মেয়েদের ধারণা, ভালো ছেলেরা ভালো যৌনসঙ্গী হতে পারে না। ১২. চিরকাল ধরে ছেলেরাই মেয়েদের নিরাপত্তা দিয়ে এসেছে। তা সে যেকোনো ধরনেরই নিরাপত্তা হোক না- কেন। বিগড়ে যাওয়া বা হিরো সেজে ঘুরে বেড়ানো ছেলেরা মেয়েদের আশ্বস্ত করে যে, তাদের সম্পূর্ণ নিরাপদে রাখবে। কিন্তু ভালো ছেলেদের সাধারণত দুর্বল মনে করে মেয়েরা, তাই এ ব্যাপারে তাদের ওপর ঠিক ভরসা রাখতে পারে না। জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। ছেলেরা ভালো এবং খারাপের তালিকায় ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু আদর্শ ছেলেদের উচিত এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা।

বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

কৌতুক - চোখে কম দেখা ।

কৌতুক আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, পথিমধ্যে এক জায়গায় ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল, হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়। ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি। এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়। ফন্দি আঁটলেন হরিপদ। উঁচু গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত আপনজন…একটু সামনে যেতে দিন।’ হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন। হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল মরে পড়ে আছে,..! § চাপাবাজী করা ঠিক নয় §

কৌতুক - প্রেমিক প্রেমিকা

দুই প্রেমিক প্রেমিকা পারিবারিক চাপে ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে। তারা ঠিক করলো হিমালয় এর উঁচু থেকে লাফ দিবে... প্রেমিকা: এত উচু তে উঠবো কি করে?? প্রেমিক: কেনো তুমি জানো না, প্রেম মানে না কোন বাধা। তারপর....... . . . . . প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল কিন্তু মেয়েটি দিল না। সে চোখ বন্ধ করে বলল, ‘ভালোবাসা অন্ধ’ আমি কিছু দেখতে চাইনা। প্রেমিক: কি গো এসো লাফ দাও.... প্রেমিকা: কেনো তুমি জানো না, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলোরে.... ঠিক তখনই ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল, হারামজাদি তোর ও জানা দরকার ‘প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে না।’...........

বয়ফেন্ডের চালাকি

দুই প্রেমিক প্রেমিকা পারিবারিক চাপে ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে। তারা ঠিক করলো হিমালয় এর উঁচু থেকে লাফ দিবে... প্রেমিকা: এত উচু তে উঠবো কি করে?? প্রেমিক: কেনো তুমি জানো না, প্রেম মানে না কোন বাধা। তারপর....... . . . . . প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল কিন্তু মেয়েটি দিল না। সে চোখ বন্ধ করে বলল, ‘ভালোবাসা অন্ধ’ আমি কিছু দেখতে চাইনা। প্রেমিক: কি গো এসো লাফ দাও.... প্রেমিকা: কেনো তুমি জানো না, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলোরে.... ঠিক তখনই ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল, হারামজাদি তোর ও জানা দরকার ‘প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে না।’...........

কৌতুক - পাগলের কান্ড ।

হাসির_কৌতুক একদিন একটি বিমান মানসিক অসুস্থ (পাগল) দের বহন করে চিকিৎসার জন্য একদেশ থেকে অন্যদেশে নিয়ে যাচ্ছিলো। পুরো বিমানটিতে পাগলগুলো চিৎকার করে শব্দ-দূষণ করছিলো এবং এতে পাইলট এর প্লেন চালাতে খুবই অসুবিধা হচ্ছিলো। হঠাৎ করে একটি পাগল কিভাবে যেন পাইলট এর কেবিনে ঢুঁকে পড়লো। … পাগলটি পাইলটকে বলল, পাগলঃ ভাই তুমি কিভাবে প্লেন চালাও আমারে একডু শিখায় দাও । আমি কালকেই একডা প্লেন কিন্না নিজে চালায়া লং ড্রাইভে যামু। পাইলটঃ আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু একটা শর্ত আছে। পাগলঃ কি শর্ত? পাইলটঃ আপনি যদি আপনার বন্ধুদের শান্ত করে এই প্লেনে হওয়া শব্দ-দূষণ বন্ধ করতে পারেন। আমার প্লেন চালাতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। পাগলঃ আচ্ছা ঠিক আছে। ~(৫ মিনিট পরে প্লেন একদম শান্ত!!)~ পাগল এসে পাইলটকে বলল, পাগলঃ হ্যা ভাই, এখন শিখান। পাইলটঃ Wow!! খুবই চমৎকার আপনি কিভাবে উনাদের শান্ত করলেন? ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ পাগলঃ আমি গিয়া প্লেন এর দরজা খুইল্লা সবাইরে কইলাম ” কেও এখানে শব্দ কইরো না, যাও সবাই বাহিরে গিয়া খেলোগা”

কৌতুক - আবুলের কান্ড ।

আবুল গেল তার জ্যোতিষ বাবারকাছে ডান হাত বাড়িয়ে বলল, : আবুল : বাবা! আমার ডান হাত চুলকায়। কী আছে সামনে বলেন? জ্যোতিষ : তোর অর্থ প্রাপ্তি সুনিশ্চিত! আবুল : বাবা, বাম হাতও চুলকায়! বাবা বলে, জ্যোতিষী : কী বলিস! তোর আরও অর্থ আসবে। আবুল আনন্দিত গলায় বলল, আবুল : বাবা বাবা,আমারডান হাঁটু চুলকায়। জ্যোতিষ : তোর বিদেশ যাত্রা হবে। খুশিতে গদগদ আবুল মহা উৎসাহের সাথে আবুল বলল, : আবুল : আমার বাম হাঁটুও চুলকায়!! বিরক্ত হয়ে জ্যোতিষী বলল, : : : : : ' : : জ্যোতিষী : ওরে হারামজাদা তোরতো চুলকানি হয়েছে!!

কৌতুক - ঘুম ।

এক ভদ্রলোক ঘুমের কারনে কখনোই সময় মতো অফিসে যেতে পারেন না। অফিসের বস একদিন তাকে ডেকে বলে দিলেন যদি কাল থেকে সময় মতো অফিসে আসতে না পারো অফিসে আসার দরকার নেই। ভদ্রলোক খুব চিন্তিত হয়ে পরলেন কেননা তিনি তার ঘুমকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন না। তিনি তার এক বন্ধুকে সমস্যার কথা বললেন। তার বন্ধু তাকে বলল যে, ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমাতে কেননা ঘুমের ঔষধের একটি মেয়াদ থাকে ৬ ঘণ্টা, ৭ ঘণ্টা ইত্যাদি। ভদ্রলোক ভাবলেন, বুদ্ধি খারাপ না। যেই ভাবা সেই কাজ, রাতে ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমালেন।ভদ্রলোকের সকালে ঘুম ভাঙল। তিনি দেখলেন একদম ঠিক টাইমে উঠেছেন। তিনি সঠিক টাইমে অফিসে পৌছে গেলেন। তিনি মনে মনে অনেক খুশি। ভাবলেন বসের সাথে দেখা করে তাকে দেখাবেন যে তিনি ঠিক টাইমে এসেছেন। তাই চলে গেলেন বসের রুমে। গিয়ে বললেন, ★ বস, দেখেন আজ আমি একদম ঠিক টাইমে এসেছি! . . . . . . . . . . . . . বস বললেন, ★আজ না হয় ঠিক টাইমে এসেছেন কিন্তু গতকাল ছিলেন কোথায়!!?

কৌতুক - বল্টুর প্রযুক্তি ।

বল্টুর প্রযুক্তি একবার বল্টু, এক আমেরিকান ও এক জাপানি প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল। তো যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায় যেন বিপ বিপ শব্দ হল। তো আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে গেল। আমেরিকান বলতেসে,"আমার হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।" এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। জাপানিজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে মাইক্রোচিপ। চাপ দিলেই কল করা ও রিসিভ করা যায়।" বল্টু চিন্তা করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে কিছুতেই হার মানা যাবেনা। তো সে উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে। আমেরিকান ও জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে বাহহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?" বল্টুর উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল আসছে, প্রিন্ট দিতেছি।"

কৌতুক - জন সিনা ।

>>জন সিনা একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য>>> . জন সিনা: আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে??? . . . . . . . . . . . . . . . . . . দোকানদার: আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।।। . জন সিনা: আমি ঘড়িটা ৩২ টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে??? . -- দোকানদার বেহুশ!!!
ইংরেজী ক্লাস শুরু হয়ে গেছে ইংরেজী স্যার বল্টুকে দেখে বল্ল ,বল্টু ইউ আর ছো লেট হোয়াই । বল্টু: স্যার আমাদের গাড়ি কাঁদার মধ্যে আটকে গেছে । স্যার : নো,নো টেল মি ইন ইংলিশ । বল্টু: স্যার, ¤ ¤ ¤ ¤ ¤ ¤ ¤ our গাড়ি was পড়িং in কাদা no নড়িং চড়িং only ভুম ভুম sound করিং। স্যার: বেহুস।

কৌতুক - মাতাল ।

একটু_হাসুন... জঙ্গলে এক চিতা বিড়ি খাচ্ছিল.. তখন এক ইঁদুর আসলো আর বলেঃ “ভাই নেশা ছাইড়া দেও, আমার সাথে আস দেখ জঙ্গল কত সুন্দর” … চিতা ইদুরের সাথে যাইতে লাগলো … সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিল ইঁদুর হাতিকেও এক ই কথা বলল এর পর হাতিও ওদের সাথে চলতে শুরু করলো ….. কিছুদুর পর তারা দেখল বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে ইঁদুর যখন তাকেও একই কথা বলল সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির গ্লাস রেখে ইদুরকে দিল কইসা একটা থাপড়!! হাতিঃ-বেচারাকে কেন মারতাছ?? বাঘঃ-এই শালা কালকেও গাজা খাইয়া আমারে জঙ্গলে ৩ ঘণ্টা ঘুরাইছিল…… ::!!

কৌতুক - মাতাল ।

মাতালের_কৌতুক গভীর রাত। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, ‘এই যে ভাই, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দেবেন?’ চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেল মিসেস মলির। মলি তাঁর স্বামী রফিক সাহেবকে ধাক্কা দিয়ে বললেন, ‘এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে!’ ঘুমাতুর কণ্ঠে বললেন রফিক, ‘আহ্! ঘুমাও তো! লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে।’ অভিমানের সুরে বললেন মলি, ‘মনে আছে সেই রাতের কথা? সেদিন তোমার কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।’ রফিক বললেন, ‘মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। তোমার খুব শরীর খারাপ করেছিল। গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন আমিও চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন?’ মলি বললেন, ‘মনে আছে তাহলে। সেদিন যদি তোমার চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বলো তো? আজ অন্যের বিপদে তুমি যাবে না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখো না!’ অগত্যা উঠতে হলো রফিক সাহেবকে। ভিজে চুপচুপা হয়ে কাদা- পানি মাড়িয়ে এগিয়ে চললেন তিনি শব্দের উৎস লক্ষ্য করে। বললেন, ‘কোথায় ভাই আপনি?’ শুনতে পেলেন, ‘এই তো, এদিকে। বাগানের দিকে আসুন।’ রফিক সাহেব এগোলেন। আবারও শুনতে পেলেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ…ডানে আসুন। নিম গাছটার পেছনে…।’ রফিক সাহেব আরও এগোলেন। ‘আহ্! ধন্যবাদ! আপনার ভাই দয়ার শরীর। কতক্ষণ ধরে দোলনায় বসে আছি, ধাক্কা দেওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না!’ বলল মাতাল!

কৌতুক - তিন পাগল ।

হাসির_কৌতুক তিন পাগল পাগলা গারদ থেকে পালানোর প্ল্যান করতাছে । ১ম পাগলঃ পালামু পশ্চিম দিক দিয়া । ঐদিকের দেয়াল যদি বেশী উচু হয় তাইলে একটা মই যোগাড় করতে হইবো । তারপরে মই দিয়া দেয়াল ডিঙ্গায়া পালামু । ২য় পাগলঃ আর দেয়াল যদি বেশী পুরু হয় তাইলে শাবল দিয়া গর্ত কইরা পালামু । ৩য় পাগলঃ তাইলে মনে হয় আমরা আর পালাইতে পারুম না রে । … ১ম ও ২য় পাগলঃ কেন ? ৩য় পাগলঃ পশ্চিম দিকে তো কোন দেয়ালই নাই, সব খোলা ।। (সংগৃহীত)

কৌতুক - বাশিঁ বাজানো ।

হাসির_কৌতুক এক ছেলে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখল এক উলঙ্গ পাগল রাস্তার পাশে উপুর হয়ে শুয়ে আছে। উলঙ্গ পাগলটাকে দেখা মাত্র তার মনে একটা ইচ্ছা জাগল। ইচ্ছাটা পূরন করার জন্য সে পাগলটার পাশে বসে পড়ল। আর বেশ কিছুক্ষণ পাগলটার পাছায় তবলা বাজাল। তবলা বাজানো শেষ হলে যখন সে উঠে চলে যেতে লাগল তখন পাগলটা ঘুরে তাকে বলল, : : : : … : : : : ” ভাই তবলা তো ভালই বাজাইলেন, এবার বাঁশিটাও বাজায় দিয়া যান ! (সংগৃহীত)

কৌতুক - একটি বেনী ।

হাসির_কৌতুক এক মাতাল একদিন অনেক মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাড়িতে ঢুকল| কিন্তু সে ঘরে না ঢুকে ভুল করে গোয়াল ঘরে ঢুকে পড়ল | তারপর গরুর লেজ ধরে বলল … … … … … … … … … … … … … … … … কিগো ময়নার মা ,প্রতিদিন দুটো বেণী কর ,আজ একটা কেনো?

কৌতুক - বিবাহ ।

ছেলে পক্ষ বিয়ের পাত্রি দেখার জন্য মেয়ের বাড়িতে গেলো। ছেলের পেশাবের প্রচন্ড চাপ ছিলো। কিন্তু লজ্জায় ছেলে চিপে ধরে থাকলো। এদিকে ছেলে পক্ষের মেয়ে পছন্দ হলো, আবার মেয়ে পক্ষেরও ছেলে পছন্দ হলো। কিন্তু ছেলের তো আর পেশাবের চাপ সহ্য হচ্ছে না। কিন্তু কি আর করার,,,,,,,,,লজ ্জা!! তো দুপক্ষেই ছেলে আর মেয়েকে আলাদা এক রুমে পাঠালো, তাদের দুজনার মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং করার জন্য। আর এদিকে ছেলে আর চাপ সহ্য করতে না পেরে মেয়েকে বলল... ছেলেঃ একটা কথা বলতাম কিন্তু লজ্জায় বলতে পারতেছি না? মেয়েঃ লজ্জার কিছু নেই বলুন না কি বলবেন। ছেলেঃ এদিক ওদিক তাকিয়ে, মেয়ের খুব কাছাকাছি গিয়ে ফিসফিস করে বলল... পেশাব করার জায়গাটা একটু দেখাওতো!! মেয়ে লজ্জায় মাথা নিছু করে আস্তে আস্তে ফিসফিস করে বলল... . . . . . . . . . আগে আপনি দেখান...!!

কৌতুক - বল্টুর প্রেমিকা ।

বল্টু এক মেয়েকে ভালবাসত। মেয়েটির নাম ছিল পাখি। তাই প্রতিদিন বল্টু পাখির বাসার সামনে গিয়ে তার পাখিকে ‘পাখি’ ‘পাখি’ বলে ডাকলে পাখি চলে আসতো। একসময় বল্টু পাখিকে রেখে বিদেশে চলে গেল। তারপর, প্রায় ৩-৪ বছর পর সে বিদেশ থেকে ফিরে আসলো। এসেই পাখির বাসার সামনে গিয়ে পাখিকে ডাকতে লাগল। তখন পাখির মা বলল, . . . . . . . . . “বাবা তুমি এতো দিন পর কোথা থেকে আসলে..?? তোমার পাখি তো অলরেডি ১টা ডিম পেরে বসে আছে।”

কৌতুক - তিন পাইলট ।

বাংলাদেশের,আমেরিকার ও অস্টেলিয়ার তিন পাইলট অন্যায়ভাবে প্লেন চালানোর দায়ে জাপানের কাছে ধরা খাইছে। জাপানীরা বলছে অন্যায়ভাবে প্লেন চালানোর দায়ে তোমাদের মেরে ফেলা হবে।তবে তোমার মৃতুর পর তোমার গায়ের চামড়া দিয়ে বালিশ বানানো হবে।এখন তোমার যার যেভাবে ইচ্ছে মরতে পারো..।। ১প্রথমে আমেরিকার পাইলট পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করে মারা গেল...।। পরে অস্টেলিয়ার পাইলট নিজের পেটে ছুরি চালিয়ে মারা গেল...।। সবশেষে বাংলাদেশী পাইলট বলছে তোমার কাছে কাটা চামুচ হবে। তাকে কাটা চামুচ দেওয়ার পর সে তার নিজের পুরো শরীর খোচালো এবং মৃতুর আগে বলে গেল.... " " " " আমরা বাঙালী নিজের জীবন দিয়ে মরতে পারি মাগার নিজের শরীরের চামড়া দিয়ে কাউকে বালিশ বানাতে দিব না..।।

কৌতুক - বল্টুর ডাক্তারী ।

® বল্টু এখন ডাক্তার ® বল্টু তার ডাক্তারি চেম্বারে বসে আছে । এমন সময় আমাদের পটল বাবু দৌরে এসে বল্টুর সামনে বসে হাপাতে লাগলো । বল্টু :: বলুনতো আপনার কি হয়েছে ? পটল বাবু :: ডাক্তার সাহেব আমি সকালে একটা কলম গিলে ফেলেছি !! এখন এটা বের হচ্ছে না,,, বল্টু :: কি বলছেন ? তাহলে দেরি না করে এখুনি কিছু কাগজ খেয়ে নেন . পটল :: কেনো ডাক্তার সাহেব ? বল্টু :: কাগজ খেলে আপনার পেছন দিয়ে শুধু উপন্যাস , কবিতা , গল্প বের হবে আর আপনি বিখ্যাত হয়ে যাবেন →→ পটল বেহুঁশ

কৌতুক - মাতাল পাপ্পু ।

হাসতে_থাকুন পাপ্পু মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাড়ি তে ফিরল… বউ এর বকা থেকে বাঁচতে সে একটা বই খুলে পড়তে শুরু করল… পাপ্পুর বউ-” মদ খেয়ে এসেছ…তাই না? ” পাপ্পু- “কই… না তো… !” পাপ্পুর বউ- “তাহলে সুটকেস খুলে বসে কি বকর বকর করছ??”
নেশার_কৌতুক এক ইদুর মদের গ্লাসে পড়ে গেছে। . . . . . সেখানদিয়ে একটা বিড়াল যাচ্ছিলো। ইদুর বিড়ালকে বলছে >>> ইদুর :-তুমি আমাকে এখানথেকে বাহির করো।তারপর যদি ইচ্ছে হয় তুমি আমাকে খেয়ে ফেল। বিড়াললাথি মেরে মদের গ্লাস ভেংগে ফেলে। আর ইদুর বাহির হয়েতো দৌড় শুরু করে।তখন বিড়ালের রাগ উঠে যায়। বিড়াল রেগে গিয়ে বলল>>> বিড়াল :-শালা মিথ্যাবাদী, ধোকাবাজ,বেইমান।তুইইতো বলছিলি আমাকে এখানথেকে বাহিরকরো। তারপর ইচ্ছে হলে খেয়ে ফেল। …ইদুরহাসি দিয়ে বলল, রাগ করিসনা দোস্ত তখনতো আমি নেশার মধ্যে ছিলাম।

কৌতুক - দুধ চা ।

নোয়াখাইল্লা চা দোকানে চা খাইতে ঢুকল, একটা রং চা খাইল। যখন বিল দিতে গেল ! নোয়াখাইল্লা: বিল কত হল? দোকানদার: 6 টাকা । নোয়াখাইল্লা: কেন দুধ চা কত? দোকানদার: 6 টাকা । নোয়াখাইল্লা: কেন? আমিতো রং চা খাইলাম,তা হলে আমার ১ টাকার দুধ দিয়ে দিন। দোকানদার: হাতের তালুতে এক চামচ দুধ দিল। নোয়াখাইল্লা: জিহ্বা দিয়ে চেটে দুধ খেয়ে মাটিতে গড়াগড়ি শুরু করল এখন দোকানদার ভয়ে অস্থির নোয়াখাইল্লার পকেটে 100 টাকা দিয়ে বল্ল ভাই তুই হাসপাতালে যা , নোয়াখাইল্লা: উঠে দাঁড়িয়ে বল্ল কেন? দোকানদার:মনে হয় দুধ খাওয়াতে তোমার সমস্যা হয়েছে। নোয়াখাইল্লা: আরে না । দোকানদার:তাহলে গড়াগড়ি করছিলেন কেন? নোয়াখাইল্লা: আমি আগে চা পরে দুধ খাইছিতো তা মিক্সড করছিলাম ।

কৌতুক - গরম গরম ।

হাসুন_প্রান_খুলে একদিন বল্টু এক রেস্টুরেন্টে গেল--- বল্টুঃ এই, গরম কি আছে ? বালকঃ বিরানী, খিচুরি,তেহারি। বল্টুঃ আরো গরম কি আছে ? বালকঃ মোগলাই পরোটা, পুরি। বল্টুঃ আরো গরম কি আছে ? বালকঃ দুধ, চা, কফি। বল্টুঃ আরো গরম কি আছে ? বালকঃ (বিরক্ত হয়ে) আছে চুলার জ্বলন্ত কয়লা। বল্টুঃ যা এক প্লেট নিয়া আয়। বালকঃ কেনো? কি করবেন ? বল্টু ঃ মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল - ইয়ে মানে একটা বিড়ি জালাবো ।

কৌতুক - টিচার ও ছাত্র ।

জোকস ---হাঁসাইতে হাঁসাইতে মাইরা পালামু……..... . . . ১/ টিচারঃ কিরে নান্টু, এত দেরি করে ক্লাসে এলি যে? নান্টুঃ স্যার, আব্বা কইলো, গাভীডারে চেয়ারম্যান- বাড়ির ষাঁড়ের কাছে দিয়াআইতে। টিচারঃ তা, এই কাজটা তোর বাবা করতে পারলোনা ?? . . . . .. নান্টুঃ ছি ছি ছি !! এইডা আপনে কি কইলেন স্যার, ষাঁড়ের কাম কি মানুষেরে দিয়া হইবো নাকি !! (ল্যাও ঠেলা)......

কৌতুক - পাগল নাচন ।

পাগলা গারদে সব পাগল নাচানাচি করছিল.. . শুধু একজন পাগল বসে ছিল... . ডাক্টার ভাবল সেই পাগলটা মনে হয় ভাল হয়ে গেছে । . তাই তাকে জিগ্গেস করা হল সবাই নাচছে তুমি নাচছ না কেন? . উত্তরে পাগলটি বলল... " " , " " " " " " " " " আরে গাঁধাঁ বিয়ে বাড়ীতে কি জামাই কখনো নাচে....

কৌতুক - মশা ও মাছির বিয়ে ।

১টা মশা ১টা মাছিকে বিয়ে করল বাসর রাতে মশা বাইরে বসে আছে পিপড়া বলল... কিরে দোস্ত তুই বাইরে কেন? মশা বলল,কি করব বল তোর ভাবি.... : : : : : : : : :........ কয়েল জালিয়ে দিয়েছে।...

কৌতুক - পাছায় ভুল ।

কোন এক দৈনিক পত্রিকার একটি খবরের হেডিং সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। সেটা হলঃ ‘পুলিশের গু খাইয়া বকের মৃত্যু।’ পরদিনের সংখ্যায় সেই হেডিং সম্পর্কে লেখা হলঃ ‘হেডিংটি আসলে হইবেঃ পুলিশের গুলি খাইয়া যুবকের মৃত্যু।’ এরপরের লাইনে পত্রিকাটি আবারও ভুল করল। সেখানে লেখা হলঃ ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখিত, আমাদের পাছায় ভুল ছিল।’ আসলে হবেঃ ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখিত, আমাদের ছাপায় ভুল ছিল।'

কৌতুক - তিন বলদ ।

বলুন তো এদের মধ্যে সেরা বলদ কে?? . . ১:আবুল:-বৃষ্টির মধ্যে তার বাগানে পানি দিচ্ছিলো !! !... ২:বল্টু:- গাছের আম পাকা কিনা সেটা দেখা জন্য গাছে উঠে নিশ্চিত হলো, তারপর নেমে ডিল দিয়ে আম পারতে লাগলো !! ... ! ৩: মফিজ:- হেটে যাচ্ছিল হঠাৎ পা সামনে গোবরের মত কি যেন দেখলো । নিশ্চিত হওয়ার জন্য তা আঙুলে নিয়ে চেখে দিয়ে বলে "উ উহ বাঁচলাম, একটুর জন্যে গোবরে পা দিলাম না !! !!

কৌতুক - পেপসি ।

।।।।। চরম জোকস ।।।।। আবুল সিনেমা হলে সিনেমা দেখছে। আবুলের পাশের সিটে বসেছে এক বুড়ো। ঐ বুড়োর হাতে একটা ছোট পেপসির বোতল। বুড়ো ৫ মিনিট পরপর বোতলে চুমুক দিচ্ছে। সিনেমায় দুর্দান্ত এ্যাকশন চলছে। কিন্তু একটু পরপর বুড়ো পেপসির বোতলে চুমুক দেওয়ায় আবুলের খুব ডিসটার্ব হচ্ছে। এভাবে অনেকক্ষণ চলার পরে আবুল বিরক্ত হয়ে বুড়োর হাত থেকে পেপসির বোতলটা কেড়ে নিয়ে বললঃ একটুখানি পেপসি খেতে চুমুক দিতে হয়? এই দেখেন, কিভাবে খেতে হয় !! এই বলে সে একচুমুকে বোতলের বাকি পেপসিটুকু খেয়ে ফেলল। বুড়ো ভীষণ অবাক হয়ে বলল ↓↓↓. . . . . . . . . . একি করলে বাবা !! . . . . . . . . . . আমিতো পেপসি খাচ্ছিলাম না !! . . . . . . . . . . ঐ বোতলে একটু পর পর পানের পিক ফেলছিলাম !!

কৌতুক - আম চুরি ।

একদিন রাতের বেলা মন্টু আর ঝন্টু মিলে অনেকগুলো আম চুরি করলো। কিন্তু আমগুলা কোথায় ভাগাভাগি করবে বুঝতে পারছিল না। সামনেই একটা কবরস্থান ছিল। তারা দেওয়াল টপকে কবরস্থানের ভিতর ঢুকে পড়লো। কিন্তু দেওয়াল পার হওয়ার সময় দুইটা আম ঝাঁকি খেয়ে পড়ে গেলো। তারা সেটা তোলার সময় পেল না। তো এক মাতাল সেই রাস্তা দিয়া যাইতেছিল। কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শুনতেছে--- "একটা তোর, একটা আমার, একটা তোর, একটা আমার।" এই শুনে মাতাল দ্রুত হাঁটা দিল। সামনেই এক পুলিশের দেখা পেয়ে বলতেছে, "ভাই, কবরস্থানে ভূত আছে। লাশ ভাগাভাগি করতাছে। আরেকটু হইলে আমারেও খাইছিলো। অনেক কষ্টে বাঁইচা আসছি।" পুলিশ বলতেছে, "চলেন দেখি কোথায় আপনার ভূত?" দুইজনেই কবরস্থানের কাছে পৌছে শুনতেছে--- "একটা তোর, একটা আমার, একটা তোর, একটা আমার।" পুলিশ তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে। হঠাৎই মন্টু তা বুজে বলে উঠলো, "তাইলে দেওয়ালের ওই পাশের দুইডারে কি করবি?" এই শুনে পুলিশ আর মাতাল 'চাচা আপন প্রান বাচা' বলেই দে দৌড়.......।।

কৌতুক - বাবুর্চি ।

বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।” আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি” পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল, “কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?” “হুমমমম…তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি আর এমন জিনিষ কাইটা দিছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না!

কৌতুক - এক গোয়ালা ।

একটি বৃদ্ধ হসপিটালে তার শেষ নিশ্বাস নিচ্ছিল৷ . তার Bed র পাশে তখন একটি নার্স, তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল৷ . বৃদ্ধ বড় ছেলেকে বলল - " আমি তো আর বেশীক্ষন বাচবো না৷ তাই park street র ১৫ টি বাড়ি তুই নে৷ " . মেয়েকে বলল - " ধর্মতলায় ১৭ টি বাড়ি তুই নে৷ " . ছোটো ছেলেকে বলল - " তোকে তো আমি খুব ভালোবাসি তাই বেহালার ২০ টি বাড়ি তোর৷ " . স্ত্রীকে বলল - " আমার যাবার পর কারো কাছে তোমাকে হাত পাততে হবে না৷ তাই dlf র ১০ টি ফ্ল্যাট তুমি রাখো৷ " . তখন নার্স তার স্ত্রীকে বলল - " আপনি কত ভাগ্যবান আপনার স্বামী আপনাদের জন্য কত সম্পত্তী দিয়ে যাচ্ছে৷ " . . . . . . . স্ত্রী বলল কিসের সম্পত্তী৷ ও দুধয়ালা ৷ আমাদেরকে সকালে দুধ দেওয়ার Duty ভাগ করল !!! . . . . . . নার্স অজ্ঞাণ এখনও.....

কৌতুক - এক মহিলা ও তার স্বামী ।

এক ভদ্রমহিলা ঘরে একা ছিলেন। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়লো । তিনি দরজা খুলে অপরিচিত এক লোককে দেখতে পেলেন...... লোকটি বললঃ আপনি তো খুবই সুন্দরী। মহিলা ঘাবড়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন। পরের দিন আবার টোকা পড়লো...... মহিলাটি দরজা খুলে আবার সেই লোককে দেখতে পেলেন। লোকটি বললঃ আপনি সত্যি খুবই সুন্দরী। মহিলা ভয়ে তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে দিলেন। পরের তিন চার দিনও যখন একই ঘটনা ঘটতে থাকলো.....তখন মহিলা বিরক্ত হয়ে পুরো বিষয়টি তার স্বামীকে বললেন। সব শুনে স্বামী বললঃ তুমি কিছু চিন্তা কোরোনা, আজ যখন হতচ্ছাড়াটা আসবে তখন আমি ঘরে দরজার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকবো। তুমি শুধু বলবে, "হ্যাঁ, আমি সুন্দরী, তাতে তোমার কি ?" তার পর ব্যাটাকে আমি মজা দেখাচ্ছি। পরের দিন যখন দরজায় টোকা পড়লো। তখন মহিলার স্বামী দরজার পিছনে লুকিয়ে পড়ল। মহিলাটি দরজা খুলতে লোকটি বললঃ আপনি তো দেখছি অপূর্ব সুন্দরী। মহিলাঃ হ্যাঁ, আমি সুন্দরী..... কিন্তু তাতে আপনার কি? লোকটি বিনম্র ভাবে হাতজোড় করে বললঃ দিদিভাই, এই বিশ্বাস আর অনুভুতিটা পারলে আপনার স্বামীর মধ্যে জাগিয়ে তুলুন যাতে, . . . . . . . . . . . . . . . . . উনি অন্তত আমার স্ত্রীর পিছু টা ছাড়েন!!

কৌতুক - বল্টু এখন বাথরুমে ।

জোকস « বল্টু এফএম রেডিও স্টেশনে কল করল: "হ্যালো, এটা কী এফএম ৯৭.৫ ??" . . RJ : জি, বলুন। . . বল্টু : আমার কথা কী পুরা শহরে শোনা যাচ্ছে ? . . RJ : হ্যাঁ, সবাই শুনতে পাচ্ছে বলুন। . . বল্টু : তারমানে আমার বোন যে রেডিও শুনছে, সেও শুনতে পাচ্ছে ? . . RJ : (রাগতস্বরে) আরে বেকুব হ্যাঁ। . . . . . . বল্টু : হ্যালো পিংকি, যদি আমার কথা শুনতে পাস তাহলে জলদি পানির মোটর চালু কর। আমি টয়লেটে বইসা আছি আর পানি শেষ। তোর নাম্বারটাও বন্ধ।

কৌতুক - ইদুরের বাহাদুরী ।

তিন ইঁদুর নিজেদের বীরত্বের গল্প করছে..... প্রথম ইঁদুর : জানিস, সেদিন আমি এক বোতল ইঁদুর মারার বিষ খেয়ে ফেলেছি, অথচ আমার কিছুই হয়নি। ♡ দ্বিতীয় ইঁদুর : কিছুদিন আগে আমি একটা ফাঁদে আটকা পড়ে গেছিলাম। ফাঁদটা ভেঙে বেরিয়ে এসেছি।☆ তৃতীয় ইঁদুর : ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ তোরা গল্প কর, আমি আজ উঠি। বাড়ি ফিরে আবার পোষা বিড়ালটাকে খাবার দিতে হবে!!!!!!

মায়ের ভালোবাসা

একদিন ছেলেটি তার মা'র কাছে গিয়ে একটা বিল জমা দিল... মা ছেলের দেয়া চিরকুটটা পড়লেন... ছেলে লিখেছেঃ ১. গাছে পানি দেয়াঃ ১০ টাকা ২. দোকান থেকে এটা-ওটা কিনে দেয়াঃ ১৫টাকা ৩. ছোট ভাইকে কোলে রাখাঃ ৪০টাকা ৪. ডাস্টবিনে ময়লা ফেলাঃ ২০টাকা ৫. পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করাঃ ৫০টাকা ৬. মশারী টানানোঃ ৫ টাকা ... মোটঃ ১৪০ টাকা!! মা বিলটা পড়ে মুচকি হাসলেন... তারপর তার আট বছরের ছেলের মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন... তার চোখে পানি চলে আসছে... তিনি এক টুকরো কাগজ নিয়ে লিখতে লাগলেন.... ১. তোমাকে ১০মাস পেটে ধারনঃ বিনা পয়সায় ২. তোমাকে দুগ্ধপান করানোঃ বিনা পয়সায় ৩. তোমার জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকাঃ বিনা পয়সায় ৪. তোমার অসুখ-বিসুখে তোমার জন্য দোয়াকরা, সেবা করা, ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাওয়া,তোমার জন্য চোখের পানি ফেলাঃ বিনা পয়সায় ৫. তোমাকে গোসল করানোঃ বিনা পয়সায় ৬. তোমাকে গল্প,গান,ছড়া শোনানোঃ বিনা পয়সায় ৭. তোমার জন্য খেলনা, কাপড় চোপড় কেনাঃবিনা পয়সায় ৮. তোমার কাথা ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়াঃ বিনা পয়সায় ৯. তোমাকে লেখাপড়া শেখানোঃ বিনা পয়সায় ১০. এবং তোমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসাঃ সম্পূর্ন বিনা পয়সায় … অতঃপর সন্তান তার মার হাত থেকে বিল টা নিয়ে নিচে ছোট্ট করে লিখে দিল=এ বিল জীবন দিয়েও পরিশোধ করাসম্ভব নয়।

কয়েকটি কৌতুক ...

●খুব মশা কামড়াচ্ছে বলে রেগে গিয়ে বল্টু বিষ খেয়ে নিলেন। ....বললেন, নে এবার রক্ত খা, খেলেই মরবি। . ●জেলকর্তা : কাল তোমার ভোর ৫ টায় ফাঁসি হবে। এটা শুনে বল্টু হেসে ফেললেন। জেলকর্তা : হাসছ কেন..? বল্টু : আরে ধুর ! আমি সকাল ৯ টার আগে উঠিই না। . ●বল্টু সবজি কিনতে বাজারে গেছেন..... সবজি ওয়ালা সবজির ওপর জল ছেটাচ্ছিলেন। তা দেখে বল্টু কিছুক্ষণ চুপ করে দাড়ালেন। একটু পরে বললেন, ''ওদের জ্ঞান যদি ফিরে আসে, থাহলে ওখান থেকে এক কিলো দিয়েন তো।" . ●বল্টু এটিএম থেকে টাকা তুলছিলেন। পিছন থেকে আরেকজন বললেন, "হে...হে ! আমি আপনার পাসওয়ার্ড দেখে নিয়েছি, ওটা হলো চারটে অ্যাসটেরিকস (****) বল্টু : 'হাহা ! আপনি ভুল, ওটা হলো ২৭৮৬' . ●পুলিশ : আপনি বিবাহিত..? বল্টু : হ্যা, একজন মহিলার সাথে। পুলিশ : আরে ! সেতো বটেই, কেউ কি ছেলের সাথে বিয়ে করে নাকি..? বল্টু : হ্যা ,করেছে তো ! আমার বোন। . ●হাসপাতালে নার্স : অভিনন্দন, আপনার ঘরে ছেলে হয়েছে। বল্টু : আরিবাবা ! কি টেকনোলজির যুগ, বিবি হাসপাতালে আর আর ছেলে ঘরেই হলো । . ●বল্টু একটা মাছির ডানা কেটে দিয়ে তাকে উড়তে বললেন, কিন্তু মাছি উড়ল না। বল্টু : তাহলে এখান থেকে প্রমানিত হলো যে, ডানা কেটে দিলে মাছি শুনতে পায় না। . ●ম্যারাথন দেখতে গিয়ে বল্টু : আচ্ছা এত লোক দৌড়াচ্ছে কেন..? ব্যক্তি : এটা ম্যারাথন হচ্ছে, সবাই দৌড়াচ্ছে, চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পাবে। বল্টু : শুধু চ্যাম্পিয়নই যদি পুরস্কার পায়, তাহলে বাকিরা দৌড়চ্ছে কেন..? . ●বল্টু একটা পিজ্জা অর্ডার দিয়েছেন। বেয়ারা : স্যার, এটাকে আট পিস করব, না চার পিস..? বল্টু : চারই করে দে, আটটা বড্ড বেশি হয়ে যাবে, খেতে পারব না...।। হা হা হা

মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

কৌতুক - সোনার ডিম পাড়া ।

এক লোক রাতে মদ খেয়ে টাল হয়ে বাসায় ফিরে দেখে বউ ঘুমিয়ে পডছে, তো সেও বউয়ের পাশে শুয়ে পডল। রাতে সে স্বপ্ন দেখল সে মরে গেছে, পর জগতে যেয়ে সে ঈশ্বরকে বলছে তাকে আরেকবার দুনিয়ায় পাঠাতে। ঈশ্বর তাকে মুরগী বানিয়ে পাঠিয়ে দিছে । দুনিয়ায় এসে সে একটা ডিম পাডল, ডিম দেখে তো সে হতভম্ব, একটা স্বর্ণের ডিম I সে খুশি হয়ে আরেকটা ডিম পাডল, এটাও স্বর্ণের I এবার সে আরেকটা ডিম পাডতে জোর দিল I হটাত খেয়াল হল কে যেন তাকে পিটাচ্ছে, # # # # # # # ঘুম ভেঙ্গে দেখে বউ তাকে পিটাচ্ছে আর বলছে হারামি টয়লেট করে বিছানাডা শেষ কইরা দিল..
★পুলিশ:- অস্ত্র কই রাখছিস বল?? ★আসামী:- স্যার, আমি অস্ত্রের খবর যানি না। ★পুলিশ:- বলবি নাকি ক্রসফায়ারে মরবি?? ★আসামী:- স্যার ঐ দিক দিয়ে গেলে তিনটা তাল গাছ পাবেন। ★পুলিশ:- তাল গাছের গোঁড়ায় পুতে রাখছিস? ★আসামী:- না স্যার প্রথম দুইটা তাল গাছ বাদ। তিন নাম্বারটার... ★পুলিশ:- হুম, ওখানে আছে? ★আসামী:- স্যার তিন নাম্বারটার পাশ দিয়ে তিনটা রাস্তা আছে। প্রথম দুইটা বাদ ৩ নাম্বার রাস্তা দিয়ে গিয়ে তিনটা বাড়ি পাবেন। ★পুলিশ:- কোন বাড়িতে বল শালা? ★আসামী:- প্রথম দুইটা বাদ তিন নাম্বার বাড়িতে গিয়ে তিনটা ঘর। প্রথম দুইটা বাদ তিন নাম্বার ঘরে তিনটা আলমারি আছে। প্রথম দুইটা বাদ তিন নাম্বারটাতে তিনটা ড্রয়ার আছে। তিন নাম্বার ড্রয়ারে... ★পুলিশ:- অস্ত্র আছে? ★আসামী:- স্যার তিনটা ছবি আছে আর প্রথম দুই টা বাদ তিন নাম্বার ছবিটা আমার মায়ের। ঐ ছবির কসম স্যার। আমি অস্ত্রের খবর যানি না স্যার।

অসাধারন একটি ঘটনা ।

এক যুবক নতুন বিয়ে করল। বিয়ের প্রথম দিনই স্বামী স্ত্রী যখন খেতে বসল, এমন সময় এক ভিক্ষুক হাজির হল। ভিক্ষুক টি খুব ক্ষুধার্ত ছিল এবং সে কিছু খাবার চাইল। স্বামী খুব রাগান্বিত হলো এবং ভিক্ষুকটিকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও অপমান করে তাড়িয়ে দিল। অসহায় ভিক্ষুক চলে গেল!!! কিছুদিন পর স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হল। এক পর্যায়ে তাদের সংসার ভেঙ্গে গেল। স্বামী স্ত্রী কে তালাক দিয়ে দিল। স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেল। কয়েক বছর পর মেয়ের বাবা অন্য এক জায়গায় মেয়ের বিয়ে দিল ।নতুন স্বামীর সাথে শুরু হল তার জীবন! মেয়েটির দ্বিতীয় স্বামী প্রথম স্বামীর চেয়ে অনেক ধনী ছিল। একদিন স্বামী স্ত্রী খেতে বসল। ইতিমধ্যে একজন ভিক্ষুক আসল। স্বামী স্ত্রী কে বলল" ভিক্ষুক কে ভিক্ষা দিয়ে আসো,আমরা এখন না হয় পরে পাবো কিন্তু সে পাবে কোথায়?যখন স্ত্রী ভিক্ষা দিতে গেল তখন সে অবাক হয়ে গেল!!!কারণ, তার সেই প্রথম স্বামীই আজ তার সামনে ভিক্ষার পাত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে!!! মেয়েটি চোখের পানি রাখতে পারল না। মেয়েটি তার দ্বিতীয় স্বামী কে বলল, আমি আপনাকে এক আশ্চর্য ঘটনা শুনাব। তারপর মেয়েটি তার প্রথম স্বামীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলে দিল!! তখন দ্বিতীয় স্বামী চোখের পানি ছেড়েদিয়ে বলল, আমি তোমাকে এর চাইতেও আশ্চর্য ঘটনা শুনাব। তুমি হয়ত শুনে অবাক হবে যে, ঐ দিন তোমরা যে অসহায় ভিক্ষুককে তাড়িয়ে দিয়েছিলে, সেই অসহায় লোকটি আমি, যিনি আজ তোমার সম্পদশালী স্বামী!!! শিক্ষা ঃআল্লাহ চাইলে মুহূর্তের মধ্যেই গরীব কে ধনী আর ধনী কে ফকির বানিয়ে দিতে পারেন ৷ তাই কখনো বাড়ি-গাড়ি, টাকা- কড়ি অহংকার করা ঠিক নয়...

কৌতুক - রাজশাহীর মুরগী ।

সেইরকম জোকস : এক লোক বাজারে গেছে মুরগী কিনতে। সে মুরগিওয়ালাকে বলল একটা রাজশাহীর মুরগী দেও। মুরগিওয়ালা একটা মুরগি দিয়া বলল এই নেন রাজশাহীর মুরগি। লোকটা মুরগীর পাছা দেখে বললো, 'অই মিয়া এইডা তো রাজশাহীর মুরগী না। এটা যশোর এরমুরগী।' মুরগিওয়ালা অনেক খুজে আরেকটা মুরগি দিয়ে বললো 'এই নেন রাজশাহীর মুরগি।' লোকটা আবার মুরগীর পাছা দেখে বললো, 'ধুর মিয়া এইডাও তো রাজশাহীর মুরগি না। এটা ফরিদপুরের এর মুরগী।' মুরগিওয়ালা এবার অনেকক্ষন খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন এইটাতো রাজশাহীর মুরগি হইবোই। লোকটা এবার ও মুরগির পাছা দেখে রেগে গিয়ে বললো 'কি মিয়া? কি ব্যবসা কর একটা মুরগিও চিনো না । তোমার বাড়ি কই?' . . . . এইবার মুরগিওয়ালা পিছন ফিরে লুঙ্গি উপরে তুলে বললো 'আপনেই দেইখা কয়া দেন আমার বাড়ী কই ?

একটি মেয়ের অবাক করা কান্ড।

আমাদের এলাকার একটি মেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছে। তো মেয়েটা বাড়ী থেকে পালানোর তিন দিন পর বাড়ী ফিরল... ↓ বাবাঃ (রেগে) হারামজাদি, কেন এসেছিস এখানে...??? ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ মেয়েঃ নকিয়া মোবাইলের চিকন পিন ওয়ালা চার্জার নিতে...!!

কৌতুক - বল্টুর কান্ড

এক দোকানে আগুন লেগেছে... এটা দেখে বল্টু চিন্তা করল, দোকানের ভেতর আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে হবে। বল্টু আগুন পেরিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ৬জনকে বাইরে বের করে আনল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে বল্টুকে ধরে নিয়ে গেলো..!!! খবর পেয়ে বল্টুর বাবা থানায় গিয়ে পুলিশকে বলল, বল্টুকে ধরে এনেছেন কেন?? ওতো আগুন থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে...!!! সেতো কোনো অপরাধ করেনি.. কথা শুনে পুলিশ রেগে গিয়ে বলল, ‘অপরাধ করেনি মানে? সে দোকান থেকে যাঁদের বাইরে নিয়ে এসেছে, সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী !

অসাধারন অবাক করা একটি কবিতা

জম্মেও কেও এরাম কবিতা পড়োস নাই, কবিতার নাম শালা_আমিতো_অবাক লেখক,,MHঅবাক ________________ নিশিরাতে জেগে দেখি, গাছের ডালে কাক, শালা আমিতো অবাক!! চোর ঢুকেছে ঘরের ভেতর, দরজা ছিলো ফাঁক? শালা আমিতো অবাক!! মোবাইল নিলো,টিভি নিলো, রিমোট না হয় থাক? শালা আমিতো অবাক!! পাচ্ছে যা তা নিচ্ছে ভরে, দুই হাতেরই মুঠোয় করে, চোরটা তো নির্বাক, শালা আমিতো অবাক!! সব মালামাল বস্তা ভরে, চোর পালালো চুরি করে, যাক না চলে যাক, শালা আমিতো অবাক!! মধ্যরাতে অন্ধকারে, কুত্তা ডাকে জোরে জোরে, শিয়ালরা দেয় হাক? শালা আমিতো অবাক!! ভয়ে শরীর শিউরে ওঠে, না জানি আজ কি যে ঘটে? আবার ডাকে কাক? শালা আমিতো অবাক!! হয়নি রাতে তেমন কিছু, কোন ভূতই নেয়নি পিছু, বেঁচে গেছি যাক...... শালা আমিতো অবাক!! সকালে দেখি পুরো পাড়া, মারছে সবাই বেরেক ছাড়া, মানুষ যে ঝাঁক ঝাঁক! শালা আমিতো অবাক!! দেখলাম আমি মারছে তারা,হম চাকি পড়ছে ধরা, চোরের মাথায় টাক, শালা এবারতো আমি পুরাই অবাক!! কেমন লাগলো কবিতা....???????

অসাধারন অবাক করা একটি কবিতা

জম্মেও কেও এরাম কবিতা পড়োস নাই, কবিতার নাম শালা_আমিতো_অবাক লেখক,,MHঅবাক ________________ নিশিরাতে জেগে দেখি, গাছের ডালে কাক, শালা আমিতো অবাক!! চোর ঢুকেছে ঘরের ভেতর, দরজা ছিলো ফাঁক? শালা আমিতো অবাক!! মোবাইল নিলো,টিভি নিলো, রিমোট না হয় থাক? শালা আমিতো অবাক!! পাচ্ছে যা তা নিচ্ছে ভরে, দুই হাতেরই মুঠোয় করে, চোরটা তো নির্বাক, শালা আমিতো অবাক!! সব মালামাল বস্তা ভরে, চোর পালালো চুরি করে, যাক না চলে যাক, শালা আমিতো অবাক!! মধ্যরাতে অন্ধকারে, কুত্তা ডাকে জোরে জোরে, শিয়ালরা দেয় হাক? শালা আমিতো অবাক!! ভয়ে শরীর শিউরে ওঠে, না জানি আজ কি যে ঘটে? আবার ডাকে কাক? শালা আমিতো অবাক!! হয়নি রাতে তেমন কিছু, কোন ভূতই নেয়নি পিছু, বেঁচে গেছি যাক...... শালা আমিতো অবাক!! সকালে দেখি পুরো পাড়া, মারছে সবাই বেরেক ছাড়া, মানুষ যে ঝাঁক ঝাঁক! শালা আমিতো অবাক!! দেখলাম আমি মারছে তারা,হম চাকি পড়ছে ধরা, চোরের মাথায় টাক, শালা এবারতো আমি পুরাই অবাক!! কেমন লাগলো কবিতা....???????

পাঁদের গল্প বা জোক্স

এক ঘরে দুইজন লোক বসে আছে । হটাত্‍ একজন আস্তে করে পেদে দিলো । এখন ২য় জন বলল "উহ্ ভালো হলো না ।" কিছুক্ষন পর প্রথম জন আবার একটি পাদ দিলো । ২য় জন আবার বলল "উহ্ ভালো হলো না । প্রথম জন একটু পর আবার একই ভাবে পাদ দিলো । ২য় জন এবারো বললো উহ্ ভালো হলো না । এবার ১কম ব্যক্তি জোর গলায় বললো- . . . . . . . . এর চেয়ে ভালো আর দিতে পারবনা ।

বল্টুর জেক্স - পিঁপড়া মারা

বল্টু পরীক্ষা দিতে গেল,,,,,, পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলো- কিভাবে একটা পিপড়া কে মারতে হয়...? প্রশ্নটা ১৫ মার্ক এর। তো বল্টু উত্তর লিখেছেঃ . . . . . . . . ! ! ! ! ! ! ! ! প্রথমে চিনির সাথে মরিচের গুড়া মিশায়ে রেখে দিতে হবে। পিপড়া সেটা খেয়ে পানি খুজবে চারদিকে। পানির বালতি তে যেয়ে পিপড়া টা পড়ে যাবে,তারপর পিপড়া নিজেকে শুকাতে আগুনের কাছে যাবে, আগুনের কাছে আগে থেকেই একটা বোম্ব রাখা লাগবে। বোম্ব ফুটে পিপড়া আহত হয়ে হসপিটাল এ যাবে, তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া থাকবে, সেই অক্সিজেন মাস্ক টাখুলে দিলেই পিপড়াটা মরে যাবে।

বল্টুর জেক্স

বল্টু জাল টাকা ছাপাতে ছাপাতে একদিন ভুলে একটা তিনশ টাকার নোট ছাপিয়ে ফেলে। এই নিয়ে সে মহা টেনশনে পড়ে গেলো। এটা কি ফেলে দিতে মন চায়... শত হলেও তিনশ টাকা...…… " " -----এক মুদি দোকানে গিয়ে বললো, ভাই ৩০০ টাকার নোট ভাঙতি হবে?? : : ----দোকানদার মৃদু হেসে বললো, ভাই, হবে। এই বলে দোকানদার ৩০০ টাকার নোট ভাঙতি করে দিলো। " " ----আর বল্টুও বেশ তাড়াহুড়া করে ভাঙতি টাকাগুলো পকেটে ঢুকিয়ে সোজা বাসায় চলে এলো। বাসায় এসে মনে মনে বলছে, বলদ দেখছি জীবনে অনেক, এই মুদি দোকান- দারের মতো আবাল বলদতো দেখি নাই কোনদিন... ৩০০ ট্যাকার নোট দিলো ভাঙতি.. এই বলে হাসতে হাসতে পকেট থেকে ভাঙতি টাকা গুলো বের করে দেখে………… ' ' ' ' ' ' ' ' ______ ৪টা ৭৫ টাকার নোট

হাসির দুনিয়া বা জগতে স্বাগতম

JKআমি শপিং করার জন্য বিগ বাজারের পাশে হাঁটছিলাম । তখন দেখলাম দোকানের ক্যাশিয়ার ৫ অথবা ৬ বছরের একটা ছোট বাচ্চার সাথে কথা বলছে। ক্যাশিয়ারঃ আমি দুঃখিত। তোমার কাছে পুতুল কেনার জন্য যথেষ্ট টাকা নেই। ছোট ছেলেটি আমার কাছে এল আর জিজ্ঞেস করল। আঙ্কেল? দেখেন তো আমার কাছে কি সত্যিই যথেষ্ট পরিমান টাকা নেই?? আমি তার টাকা গুলো গুনে দেখলাম। আর পুতুলের দাম ও দেখলাম। আসলেই তার থেকে সামান্য কম টাকা ছিল। আমি বললাম সত্যিই তোমার কাছে পুতুল কিনার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ টাকা নেই। ছেলেটির মন খারাপ হল। তবুও সে ঐ পুতুলটি ২ হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রাখল। আমি ওর কাছে গেলাম আর তারপর জিজ্ঞাস করলাম, তুমি কাকে দেওয়ার জন্য পুতুলটি কিনতে চাও?? ছেলেটি বলল এই পুতুলটি সব চেয়ে বেশি পছন্দ করে আমার বোন। আমি ওর জন্মদিনে ওকে এটা গিফট দিতে চেয়েছিলাম। আমার মায়ের থেকে পুতুলটি দিব যাতে সে পুতুলটি আমার বোনের কাছে পৌঁছে দেয় । তার ২ টি বিষণ্ণ চোখ দেখে আমি জিজ্ঞাস করলাম, তোমার বোন কোথায় গেছে? তখন সে মন খারাপ করে বলল, আমার বোন আল্লাহর কাছে চলে গেছে। আব্বু বলেছে আম্মুও খুব তাড়াতাড়ি সেখানে যাবে। তাই আমি ভাবলাম পুতুলটা আম্মুকে দিয়ে বোনের কাছে পাঠিয়ে দিব। আমার নিশ্বাস কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে এল। ছেলেটি আবার বলতে লাগলো, আমি আব্বুকে বলে এসেছি যাতে আমি না ফেরা পর্যন্ত আম্মুকে যেতে না দেয়। তারপর আমাকে একটা ফটো দেখিয়ে বলে, আমার এই ফটোটাও আম্মু থেকে দিয়ে দিব যাতে আমার বোন আমাকে না ভুলে যায়। আমি আমার আম্মুকে অনেক ভালোবাসি। আম্মুকে যেতে দিতে আমার কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আব্বু বলেছে আমার বোনের দেখা শুনার জন্য আম্মুকেও যেতে হবে। এসব বলতে বলতে নির্বাক ২ টি চোখে পুতুলটির দিকে তাকিয়ে রইল। তখন আমি তার টাকা গুলোর সাথে আরও কিছু টাকা যোগ করি আর তাকে বলি, চলো আমরা টাকা গুলো আবার গুনে দেখি। হয়তো এখানে পুতুল কেনার জন্য যথেষ্ট টাকা আছে। গুনে দেখার পর ছেলেটি অনেক খুশি হয়। তখন সে পুতুলটি কিনে নিয়ে চলে যায়। আমি আমার শপিং গুলো শেষ করে বাসায় আসি। এরপরে আমার ২দিন আগের লোকাল একটি নিউজপেপার এর দিকে চোখ গেল। যেখানে একটা আর্টিকেল ছিল যে একটি ট্রাক ড্রাইভার মাতাল হয়ে ট্রাক চালায় আর একটি কারকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলে একটি ছোট মেয়ে মারা যায় আর তার মা গুরুতর আহত হয়। তাহলে কি সেই পরিবারের ছিল ছেলেটি আমার সাথে যার মলে দেখা হয়েছিল??? এরপরে আমি নিউজপেপার চেক করলাম আর দেখলাম ঐ মহিলাটিও মারা যায়। আমি নিজেকে থামাতে পারিনি তার ফেয়ারওয়েলে যেতে। আমি একটি সাদা গোলাপ কিনলাম। গিয়ে দেখলাম মহিলাটি কফিনের ভেতর ছিল।তার পাশে সেই পুতুলটা যেটা একটা ছোট ছেলে তার বোনকে দিবে বলে কিনেছিল। এবং মহিলাটির বুকের মাঝে সেই ছেলেটির ফটো। আমার আর বুঝতে বাকি রইল না। মা এবং বোনের জন্য ছেলেটির ভালোবাসা কল্পনার থেকেও বেশি। এত ভালোবাসা একটা মাতাল কেড়ে নিল সামান্য একটু সময়ে!!! এমন কেন হয় এই পৃথিবীতে?? যে মানুষ অপরাধ করে সে সাজা না পেয়ে অন্য মানুষদের তার অপরাধের জন্য মূল্য দিতে হয়। এমন কেন হয় যে একটা মাতাল ড্রাইভার এর জন্য একটি অবুঝ বাচ্চা তার সব চেয়ে আপনজনকে হারায়?